News update
  • Monira Sharmin’s MP candidacy cancelled, 49 other women valid     |     
  • No scope for money launderers to return to bank boards: BB     |     
  • Six closed jute mills to reopen under pvt management in 6 months     |     
  • Uncertainty over possible US-Iran talks as Trump extends ceasefire     |     
  • Bangladesh eyes broader bilateral engagements with African nations     |     

হরমুজ খুললেও ভয় কাটেনি, অপেক্ষায় জাহাজগুলো

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2026-04-08, 2:05pm

erewtertyret-f43f8aae5c87b00d28006853934016351775635530.jpg




দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পার হলেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক হয়নি। শিপিং ডেটা বা জাহাজের গতিবিধি সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যুদ্ধবিরতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পরও অধিকাংশ জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে চলাচলে সতর্কতা অবলম্বন করছে। খবর সিএনএনের।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, শুধু রাজনৈতিক ঘোষণার ওপর ভিত্তি করে কোটি কোটি ডলারের সম্পদ ও ক্রু বোঝাই জাহাজ ঝুঁকিপূর্ণ পথে নামাতে রাজি নন মালিকরা।

ইউনাইটেড অ্যাগেইনস্ট নিউক্লিয়ার ইরানের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং সাবেক মার্কিন নৌ কর্মকর্তা চার্লি ব্রাউন এই পরিস্থিতিকে ‘অপেক্ষার পালা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, যুদ্ধবিরতি প্রয়োজনীয় প্রথম পদক্ষেপ হলেও এর মাধ্যমেই এই রুটে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এখনই স্বাভাবিক হয়ে গেছে এমনটি ভাবার কারণ নেই।

বর্তমানে জাহাজ মালিকরা সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার, নৌ-নিরাপত্তা সংস্থা এবং বিশেষ করে সমুদ্রের ‘যুদ্ধ-ঝুঁকি বীমা’ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছেন। বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো সবুজ সংকেত না দেওয়া পর্যন্ত কোনো বড় জাহাজ এই পথে যাত্রা শুরু করতে চাইছে না।

উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালির আশেপাশে অন্তত ১৯টি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। দীর্ঘ ছয় সপ্তাহ এই রুট বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বৈশ্বিক পুঁজিবাজারে ধস নেমেছে।

এরই মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখন থেকে এই পথে যাতায়াত করতে হলে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করতে হবে। পাশাপাশি ইরান ও ওমান সম্মিলিতভাবে এই রুটে নতুন ‘টোল’ বা মাশুল আদায় করবে বলে জানা গেছে। ফলে এই প্রক্রিয়া নিয়েও জাহাজ কোম্পানিগুলোর মধ্যে ধোঁয়াশা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন সবাই লক্ষ্য করছেন কারা প্রথম ‘সাহসী’ হিসেবে এই রুট পাড়ি দিতে এগিয়ে আসে। যদি প্রথম কয়েকটি জাহাজ কোনো বাধা ছাড়াই নিরাপদে প্রণালি পার হতে পারে, তবেই অন্যান্য কোম্পানিগুলো তাদের অনুসরণ করবে। আপাতত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও হরমুজ প্রণালিতে আগের মতো কর্মচাঞ্চল্য ফিরতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পারস্য উপসাগরের প্রবেশদ্বারে অসংখ্য জাহাজ নোঙর করে আছে শুধু নিরাপদ সংকেতের অপেক্ষায়।