
শীতকালে অলসতার কারণে পানি কম খাওয়া হয়। কিংবা পানি কম খেলেও ঠিক বোঝা যায় না। তাই এসময় পানিশূন্যতা (ডিহাইড্রেশন) হওয়ার ঝুঁকি কম নয়। অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেন না।
শীতে পানিশূন্যতা বাড়ার ৫টি প্রধান কারণ নিচে দেয়া হলো—
১. তৃষ্ণা কম অনুভূত হয়: ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীর তৃষ্ণার সংকেত কম দেয়। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি পান করা হয়।
২. ঘাম হলেও টের পাওয়া যায় না: শীতেও শরীর ঘাম ঝরায়, বিশেষ করে হাঁটাচলা বা কাজের সময়। কিন্তু ঠান্ডায় ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়, তাই পানির ক্ষয় বোঝা যায় না।
৩. শুষ্ক বাতাস ও ঠান্ডা হাওয়া: শীতকালে বাতাস শুষ্ক থাকে। এতে ত্বক ও শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যায়।
৪. গরম পোশাক ও হিটার ব্যবহার: অতিরিক্ত গরম কাপড় বা রুম হিটার ব্যবহারে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে এবং ঘাম হয়, যা পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়ায়।
৫. চা-কফির মাত্রা বেড়ে যায়: শীতে চা-কফি বেশি খাওয়া হয়। এসব পানীয় মূত্রবর্ধক হওয়ায় শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যাওয়ার হার বাড়ে।
সতর্কতা-
শীতেও প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। পানি ছাড়াও স্যুপ, ফল ও তরল খাবার গ্রহণ করলে পানিশূন্যতা এড়ানো সম্ভব।