News update
  • Customs detect bid to import 4 luxury cars as used parts     |     
  • Nearly 1,000 missing in Tibet, Nepal in catastrophic glacial floods     |     
  • Glacial collapse-induced floods kill at least 160 people on Nepal-China border     |     
  • At Least 160 Killed in Nepal-China Border Flash Floods     |     
  • 7 fake CID members held in Magura kidnapping attempt     |     

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই বছর অনুপস্থিত শিক্ষিকাr, নিয়মিত বেতন তোলার অভিযোগ

শিক্ষকতা 2026-08-27, 12:03am

primary-school-kalapara-used-for-insect-breeding-by-suspending-classes-d92d04f933e78505b3a188f7e615fea71787767437.jpg

Primary school Kalapara used for insect breeding by suspending classes



পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৫৯ নম্বর পাঞ্জুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রায় দুই বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ তুলে প্রতিকার পেতে শিক্ষা অফিসে আবেদন করেছেন বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি। দীর্ঘ অনুপস্থিতির এই সময়ে সে নিয়মিত বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) সভাপতি মো. বাবুল হাওলাদার। এতে বিদ্যালয়ের  পাঠদান কার্যক্রম ব্যহত হলেও উপজেলা কিংবা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কোন পদক্ষেপ হয়নি, এমন অভিযোগ তাঁর।

জানা গেছে, ১৫৯ নম্বর পাঞ্জুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন। এর মধ্যে সহকারী শিক্ষক নাহিয়ান বিনতে ইউসুফ বিদ্যালয়টিতে যোগদানের পর জেলা শিক্ষা অফিসের ডেপুটেশন আদেশে নিজ এলাকার আনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পাঠ দান করছেন। এতে পান্জুপাড়া বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। 

এর আগে সহকারী শিক্ষিকা নাহিয়ান বিনতে ইউসুফের দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতির বিষয়টি পান্জুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে এম মনির একাধিকবার উপজেলা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করেছেন বলে দাবী করেন। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

স্থানীয় অভিভাবক ইসাহাক হাওলাদার বলেন, একজন শিক্ষক তার সংযুক্তি আদেশ বাতিলের পরও দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে তার প্রভাব সরাসরি শিক্ষার্থীদের ওপর পড়ে। তাই দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষিকা মোসা. নাহিয়ান বিনতে ইউসুফ মুঠো ফোনে এ প্রতিবেদককে বলেন, বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির অভিযোগটি সঠিক নয়। বর্তমানে তিনি জেলা শিক্ষা অফিসের ডেপুটেশন আদেশে আনিপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসা. সাহিদা বেগম বলেন, অভিযোগের পর আমরা জেলা শিক্ষা অফিসে এ বিষয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছি। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

সাহিদা বেগম আরও বলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির অভিযোগে তথ্য বিভ্রাট রয়েছে। সহকারী শিক্ষিকা মোসা. নাহিয়ান বিনতে ইউসুফ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় এর আদেশে এক বছর ধরে ডেপুটেশনে আনিপাড়া রয়েছেন। সেখানে তিনি নিয়মিত ক্লাশ নিচ্ছেন। তাই তার বেতন ভাতা বন্ধ করার সুযোগ নেই।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ করিম বলেন, আমি অফিসে কাগজ পত্র না দেখে এ বিষয়ে এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারছিনা। তবে ডেপুটেশনের প্রস্তাবনা আসে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে এবং সে অনুযায়ী আমরা আদেশ দেই। - গোফরান পলাশ