News update
  • Smokescreen in India over Ganga Treaty extension Alarming: Farakka Committee      |     
  • What 1.5°C Overshoot Means for Small Islands     |     
  • Diesel Irrigation Pumps to Go Solar Within 5 Years: PM     |     
  • Govt rolls out three-month drive to curb dengue     |     
  • PM Orders Stricter Action Against Polythene, Plastic Use     |     

ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা, পিতার ৬ একর জমি দুই বছর ধরে অনাবাদী

রাজনীতি 2026-09-09, 7:00pm

six-acres-of-land-remaining-fellow-for-two-years-in-patuakhali-ff5573423bb1292746a0cb4bf49e31e81788958816.jpg

Six acres of land remaining fellow for two years in Patuakhali



পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা হওয়ার অপরাধে পিতার ৬ একর জমি চাষাবাদে বাঁধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে । গত দুই বছর ধরে অনাবাদি রয়েছে এসব জমি। উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড় বালিয়াতলী গ্রামের ভূক্তভোগী আবদুল খালেক প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও প্রতিকার পাননি। 

আবদুল খালেক বলেন, বড় বালিয়াতলী মৌজার এসএ ৩৯, ৪০, ৪২, ৪৪ নং খতিয়ানের ৪৯৫ নং দলিল সহ অপর ৯ কেত্তা দলিল মূলে তিনি, তার ভাই, তার স্ত্রী এবং ছেলেদের নামে মোট ৫.৭৫০০ একর জমি ক্রয় সূত্রে তারা মালিক। এসব জমি তাদের নামে ৬৫ এবং ৩৩১ নং খতিয়ানে শুদ্ধমতে বিএস রেকর্ড হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা এসব জমি ভোগ দখল করে আসছেন। তার বড় ছেলে অ্যাডভোকেট শামীম-আল-সাইফুল সোহাগ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তাই ২৪ এর গন অভ্যুত্থানের পর এসব জমিতে চাষাবাদে বাঁধা দেয় একই এলাকার নজরুল ইসলাম নকু, হানিফ মিয়া, বশির মুন্সী ও সোহেল মুন্সি। পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে সালিশ মিমাংসার জন্য স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। স্থানীয়ভাবে সালিশ মিমাংসার জন্য বেশ কয়েকবার সময় নির্ধারন করা হলেও নজরুল ইসলাম নকু গং সালিশে উপস্থিত হননি। এরপর থেকে এসব জমি অনাবাদি পড়ে রয়েছে। বর্তমানে এসব জমি দখলের পায়তারা চালাচ্ছে নকু গং। সর্বশেষ কোন উপায়ন্ত না পেয়ে তিনি কলাপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বড় বালিয়াতলী গ্রামের মো. দেলোয়ার মৃধা বলেন, আমরা একেবারে ছোট সময় থেকে দেখে আসছি এসব জমি আব্দুল খালেক চাচা চাষাবাদ করে আসছেন। কিন্তু ২৪ সালের পর এসব জমি চাষাবাদে নজরুল ইসলাম নকু গং বাধা দেয় এবং এখন পর্যন্ত এসব জমি অনাবাদি রয়েছে। 

কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আল সাইফুল সোহাগ বলেন, আমি ১৪ মাস করাভোগ করেছি। এসময় আমার বাবাকে তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি চাষাবাদে বাঁধা দেয়। তাদের আসল কোন কাগজপত্র নেই। তারা সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তারা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমাদের ৫ একরের বেশি জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা এর প্রতিকার চাই।

এ বিষয়ে মো. নজরুল ইসলাম নকু বলেন, আমার দাদা আমির হোসেনের কাছ থেকে মেয়াদী পাট্টা হিসেবে  খালেক, আমানউল্লাহ মাস্টার , সালাম, দেলোয়ারের নামে কাগজপত্র দেওয়া হয়। অনেক আগেই এর  মেয়াদ শেষ হয়। পরবর্তীতে জমিটি ফেরত চাইতে গেলে তার ছেলে সোহাগ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জমিটি দীর্ঘ বছর ভোগ দখল করে। 

কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইলাম বলেন, এ বিষয় নিয়ে কোন ধরনের  অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। - গোফরান পলাশ