News update
  • Political division undermining fight against ‘economic security emergency’     |     
  • Unilateral sanctions expand amid eroding multilateralism     |     
  • Padma Barrage work to open next Jan-Mar: Water Minister     |     
  • BSF's attempt to push-in 12 through Satkhira border foiled     |     
  • Govt Reviewing 101 MoUs, Agreements Signed With India     |     

লাখো বছরের রেকর্ড ভেঙে উষ্ণতম মাস আগস্ট, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2026-09-11, 5:38pm

erterwt4353-f5f38bfaf8a9f960cea3aad64b6921581789126732.jpg




দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের লাকানাওয়ের মুচিক সৈকতে সৈকত ভ্রমণকারীরা বসে আছেন, আর দাবানল থেকে ধোঁয়ার মেঘ আকাশে উঠছে। ছবি : এএফপি

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের চরম প্রভাব দেখা যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী এযাবৎকালের উষ্ণতম মাসের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে গত আগস্টে। একই সময়ে সমুদ্রের তাপমাত্রাও নজিরবিহীন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পর্যালোচনার বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

সংস্থাটির মূল্যায়নের পর জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, মানবজাতি জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার থেকে সরে না আসা পর্যন্ত পৃথিবী আরও গভীরভাবে অজানা ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাবে।

কোপার্নিকাস তাদের পর্যবেক্ষণে জানায়, গত আগস্টে বৈশ্বিক গড় বায়ুর তাপমাত্রা ছিল ১৬.৯৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ২০২৩ সালের জুলাই মাসের আগের সর্বকালের মাসিক রেকর্ডকে ০.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। তবে ব্যবধান খুবই সামান্য হওয়ায় সংস্থাটি দুটি মাসকেই যৌথভাবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ উষ্ণ মাস বলে বিবেচনা করছে। এছাড়া পশ্চিম ইউরোপের জন্য গত আগস্ট মাসটি ছিল এযাবৎকালের উষ্ণতম গ্রীষ্ম।

কোপার্নিকাসের বরফের স্তর, গাছের বলয় ও প্রবালের কঙ্কালের ঐতিহাসিক প্রমাণের কথা উল্লেখ করে গবেষক সামান্থা বার্গেস জানান, মানুষ আজকের মতো এতো উষ্ণ তাপমাত্রা কখনো দেখেনি। তিনি বলেন, অন্তত গত এক লাখ বছরের মধ্যেও পৃথিবীর তাপমাত্রা এতটা বাড়েনি।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রধানত কয়লা, তেল ও গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট মানব কর্মকাণ্ডের কারণে প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় পৃথিবীর তাপমাত্রা বর্তমানে প্রায় ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তা সত্ত্বেও বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রাখা ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ ২০২৫ সালে নতুন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।