News update
  • Dhaka ranks world's third most polluted city this morning     |     
  • Houthis Claim Missile, Drone Attack on Aramco Facility     |     
  • Four Earthquakes Rattle Bangladesh Within Four Hours     |     
  • Clean your plate – to reduce food loss and waste     |     
  • Global life expectancy ups to near pre-pandemic levels: WHO     |     

রেডিও-রাডার বিচ্ছিন্ন, মাঝ আকাশে নিখোঁজ যুক্তরাষ্ট্রের বিমান

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-10-04, 11:11am

img_20261004_110834-3092c7a91e69db90d0015c7a466e945f1791090669.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস উপকূলে ছয় আরোহী নিয়ে একটি চিকিৎসাবাহী বিমান নিখোঁজ হয়েছে। বারমুডা থেকে বোস্টনের উদ্দেশে যাত্রা করা বিমানটির সঙ্গে মাঝ আকাশে হঠাৎ রেডিও ও রাডার—দুই ধরনের যোগাযোগই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর আগে প্রায় ২৪ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে বিমানটি দ্রুত নিচে নেমে আসে এবং পাইলট জরুরি পরিস্থিতির কথা জানান।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোরে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আকাশ ও সমুদ্রপথে তল্লাশি শুরু করে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। পরে নানটাকেট দ্বীপের উপকূলে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। তবে ছয় আরোহীর সন্ধানে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গালফস্ট্রিম জি-১০০ বিমানটির সঙ্গে হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয় সময় রাত ১টার পরপরই এর সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

মার্কিন কোস্টগার্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিভাগ জানিয়েছে, ম্যাসাচুসেটসের নানটাকেট দ্বীপের উপকূলে আকাশ ও সমুদ্রপথে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। অভিযানে বিমান, হেলিকপ্টার ও উদ্ধারকারী নৌযান ব্যবহার করা হয়েছে।

বিমানটি স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বারমুডার এলএফ ওয়েড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। রাত ১টা ৩০ মিনিটে বোস্টনের লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল।

কোস্টগার্ডের প্রকাশ করা বিমানের পরিচিতি অনুযায়ী, এটি কানাডাভিত্তিক ল্যাটিটিউড এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের বিমান। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশ থেকে রোগীদের চিকিৎসার পর নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবাহী বিমান পরিচালনা করে।

প্রতিষ্ঠানটির ফ্লাইট পরিচালনা বিভাগের পরিচালক ক্ল্যারেন্স টোগেরেটজ জানান, বিমানে ছিলেন দুই পাইলট ও দুইজন চিকিৎসাকর্মী। তারা সবাই কানাডার নাগরিক। এছাড়া একজন রোগী ও তার একজন স্বজন ছিলেন। ওই রোগী ও তার স্বজন কানাডার নাগরিক নন।

উড্ডয়নের পর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে বিমানটির উচ্চতায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। প্রায় ২৪ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে এটি প্রায় ১১ হাজার ফুটে নেমে আসে। এরপর কিছু সময় বিমানটি ওই উচ্চতায় অবস্থান করলেও পরে এর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি।

রেডিও যোগাযোগের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটির পাইলট ও নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্মকর্তার মধ্যে যোগাযোগে সমস্যা হচ্ছিল। একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে পাইলটকে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করেছেন কি না জানতে চাওয়া হয়। পাইলটের জবাব স্পষ্টভাবে শোনা যায়নি।

পরে নিয়ন্ত্রণকক্ষ নিশ্চিত করে যে পাইলট জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করেছিলেন। এরপর জরুরি উদ্ধারকারী দলকে বিমানটির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। তখন বিমানটিতে বৈদ্যুতিক সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে জানানো হয়েছিল।

এর কিছুক্ষণ পর উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা জানান, বিমানটির রেডিও ও রাডার—দুটোরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।