News update
  • PM Orders Faster Work on Dhaka Inner Circular Road     |     
  • Dhaka ranks world's third most polluted city this morning     |     
  • Houthis Claim Missile, Drone Attack on Aramco Facility     |     
  • Four Earthquakes Rattle Bangladesh Within Four Hours     |     
  • Clean your plate – to reduce food loss and waste     |     

এল‌ডি‌সি উত্তর‌ণের পরও বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-10-04, 5:31pm

img_20261004_172907-1eddeb239168966776765e315a97cc0f1791113512.jpg




স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাভুক্ত (এলডিসি) হিসেবে বর্তমানে বাংলাদেশকে ৯৯.৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। তবে, এই এলডিসি থেকে উত্তরণের পরেও পরবর্তী তিন বছর বাংলাদেশের জন্য এই সুবিধা অব্যাহত রাখবে দেশটি। এমনকি এই মেয়াদের পরও সুবিধা খুব একটা কমানো হবে না। বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে বহাল রাখা হবে এই শুল্কমুক্ত সুবিধা, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাক‌বে তৈরি পোশাকও।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর দ্বিতীয় দিনে দেওয়া বক্তব্যে এসব আশ্বাস দেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের কাছে বাংলাদেশ একটি কৌশলগত ও বিশ্বস্ত অংশীদার। বর্তমানে আমাদের সম্পর্ক আরও আধুনিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়েছে, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে প্রতিফলিত করে। এই সম্পর্কের মূলে রয়েছে আমাদের দুই দেশের মানুষকে সংযুক্তকারী জনগোষ্ঠী।

সারাহ কুক ব‌লেন, আমাদের দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। অর্থ খাত থেকে শুরু করে ফ্যাশন, শিক্ষা ও জ্বালানি—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে সহায়তা করেছে এবং প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশের (এল‌ডি‌সি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন আমাদের মূল লক্ষ্য হলো-এই উত্তরণ প্রক্রিয়াকে মসৃণ ও টেকসই করে তোলা। যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমকে বিশ্বের অন্যতম সহজ ও উদার বাণিজ্য সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সারাহ কুক বলেন, আমাদের সহযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব, যা পারস্পরিক আস্থা ও অভিন্ন লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। একটি অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন অঞ্চল হিসেবে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের যে দায়িত্ব ও ভূমিকা রয়েছে, তা আমরা স্বীকার করি।

তি‌নি ব‌লেন, আমাদের উভয় দেশই মনে করে যে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং জলবায়ু-জনিত ঝুঁকির মতো সমসাময়িক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় প্রথাগত গণ্ডি ছাড়িয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

রো‌হিঙ্গা সংকট নি‌য়ে ব্রিটিশ হাইক‌মিশনার ব‌লেন, রো‌হিঙ্গা সংকটের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ বজায় রাখা এবং একমাত্র টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়ার বিষয়ে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর সেই সমাধানটি হলো পরিস্থিতি অনুকূল হলে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদাপূর্ণভাবে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রসঙ্গে সারাহ কুক ব‌লেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রসঙ্গে আসা যাক। এটি এমন একটি চ্যালেঞ্জের অন্যতম স্পষ্ট উদাহরণ যেখানে আমাদের স্বার্থ অভিন্ন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির বাস্তবতা বাংলাদেশের চেয়ে ভালো আর খুব কম দেশই বোঝে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, আবহাওয়ার ধরন পরিবর্তন এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব কোনো তাত্ত্বিক বিষয় নয়; দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ইতোমধ্যেই এর প্রভাব অনুভব করছে এবং এর ফলাফল প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অনুভূত হতে থাকবে।