
১৯৮৬ বিশ্বকাপের সেই বিতর্কিত কোয়ার্টার ফাইনাল হোক কিংবা ১৯৯৮ বিশ্বকাপের টাইব্রেকারের উত্তেজনা— আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচ মানেই ছিল নাটকীয়তা। লম্বা সময় পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই দল। যেখানে উভয় দলেরই লক্ষ্যটা একই— ফাইনালের টিকিট কাটতে হলে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। বিশ্লেষকদের মতামত, সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী— সবকিছুই ইঙ্গত দিচ্ছে দুই দলের লড়াইটা হবে হাড্ডাহাড্ডি।
আজ বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিনগত রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা আর ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপের শুরু থেকেই বিভিন্ন ম্যাচেরেআগে গাণিতিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করে আসছে ‘দ্য অ্যানালিস্ট’- এর অপ্টা সুপারকম্পিউটার। ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার এই মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ নিয়েও ভবিষ্যদ্বাণী করেছে সুপারকম্পিউটার। যেখানে অবশ্য কিছুটা এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড।
অপ্টা সুপারকম্পিউটারের হিসাব বলছে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে ইংল্যান্ড। তাদের জয়ের সম্ভাবনা ৩৭.৩ শতাংশ। বিপরীতে, আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা ৩২ শতাংশ। ম্যাচটি ড্র হয়ে অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারে গড়ানোর সম্ভাবনা ৩০.৭ শতাংশ।
ফাইনালে ওঠার হিসাবটাও বেশ কাছাকাছি। সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ইংল্যান্ডের ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা ৫২.৩ শতাংশ, যেখানে আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা ৪৭.৭ শতাংশ। অর্থাৎ, কাগজে-কলমে ইংল্যান্ডকে কিছুটা এগিয়ে রাখলেও ব্যবধানটা খুবই সামান্য।
অতীত পরিসংখ্যানেও এগিয়ে ইংল্যান্ড। এর আগে মোট ১৪ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। এর মধ্যে ইংল্যান্ডের জয় ৬টি ম্যাচে। বিপরীতে, আর্জেন্টিনা জিতেছে ২টি ম্যাচ। আর বাকি ৬টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই দল। সেখানেও এগিয়ে ইংল্যান্ড, তাদের জয় ২টি। বিপরীতে, আর্জেন্টিনার জয় একটি জয়। আর ২টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। ২০০৫ সালে শেষ দেখায়ও ৩-২ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড।
তবে অতীত পরিসংখ্যান কিংবা সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণীই সব নয়, নির্দিষ্ট দিনে মাঠে যারা নিজেদের সেরাটা দিতে পারবে জয় ধরা দিবে তাদের হাতেই।