News update
  • Monira Sharmin’s MP candidacy cancelled, 49 other women valid     |     
  • No scope for money launderers to return to bank boards: BB     |     
  • Six closed jute mills to reopen under pvt management in 6 months     |     
  • Uncertainty over possible US-Iran talks as Trump extends ceasefire     |     
  • Bangladesh eyes broader bilateral engagements with African nations     |     

এবার ৮০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুলেন ইলন মাস্ক

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক জনসম্পদ 2026-02-04, 9:02pm

tertryrt-80de1bf21ede6a9c272790f193efaaf41770217322.jpg




ইতিহাসের পাতায় এক অবিস্মরণীয় নাম হিসেবে নিজেকে খোদাই করলেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৮০০ বিলিয়ন ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বুধবার (৪ ফেরুয়ারি) দ্য ইকোনমি টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। 

মূলত মাস্কের নিজস্ব রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এবং তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক কোম্পানি এক্সএআই একীভূত হওয়ার পরই এই অভাবনীয় মাইলফলক অর্জিত হয়। ফোর্বস ম্যাগাজিনের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, এই একীভূতকরণের ফলে যৌথ প্রতিষ্ঠানের বর্তমান বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার।

বিস্ময়কর এই চুক্তির ফলে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ইলন মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৮৪ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে রেকর্ড ৮৫২ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে স্পেসএক্সে মাস্কের ৪২ শতাংশ মালিকানা ছিল যার মূল্য ধরা হয়েছিল ৩৩৬ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে এক্সএআই-তে তার ৪৯ শতাংশ মালিকানার মূল্য ছিল ১২২ বিলিয়ন ডলার। দুটি কোম্পানি একীভূত হওয়ার পর নতুন প্রতিষ্ঠানে মাস্কের ৪৩ শতাংশ মালিকানা নিশ্চিত হয়েছে যার বাজারমূল্য এখন ৫৪২ বিলিয়ন ডলার। এর ফলে স্পেসএক্স এখন মাস্কের সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদে পরিণত হয়েছে।

স্পেসএক্স ছাড়াও মাস্কের ভাণ্ডারে রয়েছে ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রায় ১২ শতাংশ শেয়ার যার আনুমানিক মূল্য ১৭৮ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া টেসলার শেয়ার অপশন থেকে তার আরও প্রায় ১২৪ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ রয়েছে। গত এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি ইলন মাস্কের দ্বিতীয় বড় একীভূতকরণ। 

এর আগে গত মার্চে তিনি তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানি এক্সএআই-এর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-কে একীভূত করেছিলেন। তবে এসব চুক্তিতে মাস্ক নিজেই ক্রেতা ও বিক্রেতার ভূমিকায় থাকায় অনেক বাজার বিশ্লেষক এই অতি-মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বর্তমানে মাস্কের সব প্রতিষ্ঠানই স্পেসএক্সের বিশাল কাঠামোর আওতায় চলে এসেছে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষ দিকে স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে আইপিও আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর ফলে শিগগিরই এই কোম্পানিগুলোকে কঠোর নজরদারির মুখোমুখি হতে হবে। 

গত ডিসেম্বর মাসেই মাস্ক প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ৭০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। বৈশ্বিক গবেষণা সংস্থা ইনফরমা কানেক্ট একাডেমির পূর্বাভাস অনুযায়ী, যে গতিতে মাস্কের সম্পদ বাড়ছে তাতে ২০২৭ সালের মধ্যেই তিনি বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নিয়ার’ বা এক লাখ কোটি ডলারের মালিক হওয়ার গৌরব অর্জন করতে পারেন।