News update
  • Bangladesh Eyes Smarter Future With AI-Driven Services     |     
  • Dhaka’s air quality has been recorded ‘moderate’ on Saturday     |     
  • Bailey bridge collapse disrupts direct Dhaka link to Chandpur     |     
  • No role to play in Hasina presser, Not endorse what was said: Delhi     |     
  • Saudi, Turkey, Pakistan sign ‘Mecca Joint Defense Agreement’     |     

এক ম্যাচ বাকি থাকতে সিরিজ হারলো বাংলাদেশ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্রিকেট 2026-06-19, 10:10pm

ewfewtrete-9c2d8daae5c5d6e9198c29b4dce106d31781885441.jpg




দর্শকরা কি একটু নড়েচড়েই বসেছিলেন না! ৩ বলে ১৮ থেকে সমীকরণটা ২ বলে ১২ রানে নামিয়ে আনেন তাওহীদ হৃদয়। শেষ ওভারে অ্যারন হার্ডির চতুর্থ বলটা ওয়াইড হয়েছিল। বৈধ চতুর্থ বলটায় ছক্কা মারেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। পরের বলটি আর কয়েক গজ দূরে পড়লেই ছক্কা হয়ে যেত, হলো ৪। বাংলাদেশের জয়ের আশা মূলত সেখানেই শেষ।

১ বলে দরকার ৮। জয়ের দৌড়ে থাকার জন্য বাংলাদেশের ছক্কা আদায়ের পাশাপাশি হার্ডির বলটি নো-ও হতে হবে। এর কোনোটিই অবশ্য হলো না। লংঅন সীমানার কাছে ৩৫ রান করা হৃদয়ের ক্যাচ লুফে নেন টিম ডেভিড। বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ৬ উইকেটে ১৮৯ রানে, অস্ট্রেলিয়া জিতে ৭ রানে।

এ জয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখে অজিরা সিরিজ জিতলো ২-০ ব্যবধানে। প্রথম টি-টোয়েন্টিটি তারা জিতেছিল ৪ উইকেটে। সিরিজের শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২১ জুন।

১৯৭ রান তাড়া করতে নামা বাংলাদেশ ৩ বলে ১৯ রানের কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়লেও একটা সময় সুবিধাজনক অবস্থানেই ছিল। ওপেনিংয়ে নেমেই ঝড় তুলেন তানজিদ হাসান তামিম। তার ১৫ বলে ৩০ রানের ঝড়ের কল্যাণে পাওয়ার প্লে শেষে এক উইকেটে সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭২।

টাইগাররা ১০ ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়েই করে ফেলেছিল ১০৩ রান। তখন পারভেজ হোসেন ইমন (১০ বলে ১৮) ও সাইফ হাসান (২৬ বলে ৩৩) মারমুখী ভঙ্গিতে। অ্যারন হার্ডি ২২ বলে ৩৬ রান করা ইমনকে দলীয় ১৩০ রানে ফেরান। ৪ রান পরই সাইফ হন জোয়েল ডেভিসের শিকার। এরপরই ব্যাকফুটে যেতে শুরু করে।

শামিম হোসেন ও আবদুল গাফ্‌ফার সাকলাইন ১৯ বল খেলে করেন মাত্র ২০ রান। সাকলাইন ১১ বলে ১৩ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিতই ছিলেন। অন্যপ্রান্তে হৃদয়ও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো কিছু করতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে হার্ডি (২ উইকেট) বাদে উইকেট পাওয়া বাকি প্রত্যেকের শিকার একটি করে।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসটি দাঁড়িয়ে ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিডের ৫০ বলে ৯৭ রানের জুটির ওপর। চার নম্বরে নেমে রেনশ ৫২ বলে করেন ৮৯ রান। ডেভিড ২৬ বলে করেন ৪৫ রান। তবে রেনশ শেষ পর্যন্তই অপরাজিত ছিলেন।