News update
  • Gas Shortages Hit Households as Prices Soar in Dhaka     |     
  • Tarique in Chattogram for second phase of election campaign     |     
  • US seeks to befriend Jamaat-e-Islami, reports Washington Post     |     
  • Tarique urges people to help restart democracy, elected reps solve problems     |     
  • $1 for Nature, $30 for Its Destruction: UN Warns     |     

কানাডার সব পণ্যে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-25, 8:05am

ertertw435-738afd0c65f4b16d0bfb42b99f8f66041769306726.jpg




চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করলে কানাডার সব পণ্যে ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে  লিখেছেন, ‘কানাডা যদি চীনের সঙ্গে চুক্তি করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করা কানাডার সব পণ্যের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।’

পোস্টে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে ‘গভর্নর বলেও সম্বোধন করেন ট্রাম্প। কানাডাকে চীনের পণ্যের ‘ড্রপ-অব পোর্ট’ বানানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। তবে শুল্ক কার্যকরের কোনো সময়সীমা জানাননি।

এর আগে শুক্রবার কানাডার বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গাজা পুনর্গঠনে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ কানাডার আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডে প্রস্তাবিত ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও চীনের সঙ্গে ব্যবসা নিয়ে কানাডাকে আক্রমণ করেন তিনি। এসব মন্তব্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে উত্তেজনা আরও বাড়ে।

সপ্তাহের শুরুতে ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থায় ‘ভাঙন’-এর সতর্কবার্তা দেন। ট্রাম্পের নাম না নিলেও বক্তব্যে তার স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এর জবাবে ট্রাম্প বলেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কারণেই বেঁচে আছে। পাল্টা জবাবে কার্নি বলেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কারণে নয়, তার নাগরিকদের কারণেই সমৃদ্ধ।

এরও আগে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন কার্নি। দুই দেশের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা আসে। চুক্তিতে চীনা বৈদ্যুতিক গাড়িতে কানাডার শুল্ক শিথিল এবং কানাডীয় কৃষিপণ্যে চীনের শুল্ক কমানোর কথা রয়েছে। তখন ট্রাম্প এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছিলেন। কার্নি বলেন, বিশ্ব বদলে গেছে এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্ক এখন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি স্থিতিশীল।