News update
  • 3-Day Tourism Fair Begins; Theme 'AI Powered Tourism, Sustainable Destination'     |     
  • Roopor NPP Unit One Gets Approval to Transmit Limited Power to Nat'l Grid      |     
  • Biman Flight Carrying PM Set to Leave Tokyo After Repairs     |     
  • PM’s Flight to Dhaka Delayed by Technical Glitch in Tokyo     |     
  • July Killings: Hanif Gets Death Sentence for Crimes Against Humanity     |     

জেডি ভ্যান্সের চিঠি পেয়েছে ইরান, কিন্তু জবাব দেয়নি এখনো

হামলা এড়াতে আলোচনায় জোর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-10-30, 7:12am

iraan_citthi_thaamb-de9ff8669d8ef18b4832afc23a10ab4b1793322753.jpg

ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি রাস্তায় চলাচল করছে সাধারণ নাগরিকরা। পেছনের বিলবোর্ডে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি দেখা যাচ্ছে। ছবি : এএফপি



ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইরানি সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তেহরান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছে কিন্তু এখনো তার কোনো উত্তর দেয়নি। খবর এএফপির।

ইরানের তাসনিম বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, ইরান চিঠিটি পেয়েছে কিন্তু এখনো এর কোনো জবাব দেয়নি। অন্যদিকে বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে দেশটির ফার্স বার্তা সংস্থাও প্রায় একই ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, নতুন করে আলোচনা শুরু করা এবং মার্কিন হামলা এড়ানোর লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় ভ্যান্স ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মহসেন রেজাইয়ের কাছে এই চিঠি পাঠিয়েছেন।

পত্রিকাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিটি পাঠানোর পর মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে যে যোগাযোগ হয়েছে, তাতে মূলত কোনো নির্দিষ্ট শান্তি চুক্তির শর্তাবলীর চেয়ে আলোচনার একটি সম্ভাব্য রূপরেখা বা কাঠামোর ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। ওই হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার নিহত হন।

ইরান এর জবাবে ইসরায়েল এবং ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে। প্রণালিটি বৈশ্বিক তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বহনকারী একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।

একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সমুদ্রবন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে।

যুদ্ধ অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনো কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারায় প্রকাশিত এই চিঠির আদান-প্রদানের বিষয়টি সামনে এলো।

বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরান যুদ্ধ বন্ধ করা এবং জলপথটি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য মূলত কাতার ও পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে রেখে একটি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছে।

তবে জলপথটি পুনরায় খোলার জন্য তেহরানের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত দেওয়া হয়েছে, ওয়াশিংটনকে তা পূরণ করার জন্য জোর দিচ্ছে তারা।

এই শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে যুদ্ধবিরতি, বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা, তেল খাতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মার্কিন নৌ-অবরোধের অবসান ঘটানো।