News update
  • Dhaka's air decorded unhealthy for sensitive groups Sunday morning     |     
  • Meet Earth’s newest wild cat species, the first named in over a century     |     
  • Bus torched in Mymensingh early Sunday     |     
  • Anthropic, OpenAI, SpaceXAI, Google deal on AI slowdown illegal?     |     
  • 13-Year-Old Apratim’s Death Leaves Cumilla in Grief     |     

রাশিয়ার সমুদ্রসৈকতে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা, নিহত ৭

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-08-04, 9:20am

russia-1c625cc86f824660a320d185916e3c551785813609.jpg




রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের কৃষ্ণসাগর উপকূলের একটি ব্যস্ত সমুদ্রসৈকতে ইউক্রেনীয় ড্রোন বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ক্রাসনোদার অঞ্চলের গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ জানান, আহতদের মধ্যে ১৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনাকে বেসামরিক মানুষের ওপর ইচ্ছাকৃত হামলা বলে অভিযোগ করেন। খবর বিবিসির। 

তবে এ ঘটনার বিষয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়া ও ইউক্রেন—উভয় দেশই বেসামরিক মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

বিবিসি যাচাই করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ড্রোন দ্রুতগতিতে পাহাড়ঘেঁষা উপকূলের দিকে ছুটে এসে সৈকতে বিস্ফোরিত হয়। সে সময় সৈকতে বহু পর্যটক এবং সাগরে গোসলরত মানুষ ছিলেন।

ঘটনাটি কৃষ্ণসাগর উপকূলের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র আর্খিপো-ওসিপোভকা গ্রামের একটি সৈকতে ঘটে। উষ্ণ আবহাওয়া, দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত এবং পর্যটন সুবিধার কারণে এটি রাশিয়ান পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে বিদেশ ভ্রমণ সীমিত হওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই অঞ্চলে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে।

ড্রোনটির মূল লক্ষ্য কী ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ইউক্রেনপন্থী কয়েকটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের দাবি, ইলেকট্রনিক জ্যামিংয়ের কারণে ড্রোনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সৈকতে পড়ে যায়।

অন্যদিকে, স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী রুশ সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিস্ফোরণের আগে তারা মেশিনগানের গুলির মতো শব্দ শুনেছিলেন। এতে ধারণা করা হচ্ছে, রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি ভূপাতিত করার চেষ্টা করেছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের অভিযোগ, হামলার আগে কোনো ধরনের সাইরেন বাজানো হয়নি।

একজন পর্যটক বলেন, আমরা সানবেডের আড়ালে আশ্রয় নিয়েছিলাম। কোথায় বিস্ফোরণ হলো, সেটাও দেখতে পাইনি।

আরেকজন বলেন, প্রথমে গুলির শব্দ শুনি, এরপরই বড় বিস্ফোরণ ঘটে।

এক নারী জানান, সবকিছু আমার সন্তানদের সামনেই ঘটেছে। এই ঘটনার পর আমার সন্তান মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।

গত এক বছরে ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। কিয়েভের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য সামরিক অবকাঠামো, জ্বালানি স্থাপনা এবং সেনাবাহিনীর সরবরাহকেন্দ্র।

অন্যদিকে রাশিয়াও ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। শনিবার রাজধানী কিয়েভে রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হন। এছাড়া গত সপ্তাহে ইউক্রেনের ক্রিভি রিহ এলাকায় এক হামলায় একই পরিবারের ১০ সদস্য নিহত হন।

সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে রাশিয়ার বৃহৎ অনলাইন খুচরা বিক্রেতা ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামগুলো। ইউক্রেনের দাবি, এসব গুদাম রুশ সেনাবাহিনীর সরবরাহকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যদিও মস্কো এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।