News update
  • Bangladesh Set for First Male PM in 35 Years     |     
  • Presence of women voters is noticeable at polling stations in Kalapara     |     
  • Tarique Rahman wins both Dhaka-17, Bogura-6 seats     |     
  • Dhaka’s air ‘very unhealthy’, ranks 3rd most polluted city globally     |     
  • NCP demands vote recount in several constituencies, alleges irregularities     |     

ঢাকায় পানি দূষণ কমাতে ৩৭ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিনিয়োগ 2026-02-13, 9:14am

f2959fdc9fb1beb8af74cc95379e4d1a960efa0a7f82124c-7b353c4889d6f51ff27ccc0275c0d1a91770952452.jpg




ঢাকা ও আশপাশের এলাকার পানি দূষণ রোধ এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক ৩৭০ মিলিয়ন বা ৩৭ কোটি ডলার ঋণ দেবে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে নির্বাহী পরিচালকদের সভায় এই অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়েছে। ‘মেট্রো ঢাকা ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আওতায় ঢাকার বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও ঢাকা ওয়াসার সক্ষমতা বাড়ানো হবে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো নদী ও খালের পানি দূষণ কমিয়ে সেগুলোর নাব্যতা ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা।

প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা এবং ৫ লাখ মানুষ উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আসবে। বিশেষ করে দূষণ ও সেবাবঞ্চিত এলাকায় অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেসমে বলেন, ঢাকার জলাশয়গুলো কোটি মানুষের জীবনরেখা। দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এই প্রকল্প ঢাকার নদী ও খালের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি করবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার মাত্র ২০ শতাংশ বাসিন্দা পাইপযুক্ত স্যুয়ারেজ সিস্টেমের আওতায় আছেন। অন্যদিকে, ৮০ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য সরাসরি শহরের জলাশয় ও নদীতে যাচ্ছে। এছাড়া ঢাকার অর্ধেকের বেশি খাল বর্তমানে বিলীন বা বর্জ্যে ভরাট হয়ে গেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ আছে, দেশের মোট রফতানিমুখী পোশাক কারখানার ৮০ শতাংশই ঢাকা ও আশপাশে অবস্থিত। প্রায় ৭ হাজার কারখানা প্রতিদিন ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে ফেলে, যার ফলে চর্মরোগ, ডায়রিয়া ও অন্যান্য স্নায়বিক সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকল্পে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে শিল্পবর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) ও পানির পুনঃব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ওয়াটার স্পেশালিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার হর্ষ গোয়েল জানান, এই কর্মসূচি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। প্রথম ধাপে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের নির্দিষ্ট এলাকায় কাজ শুরু হবে। নদীগুলোর পানি পরীক্ষা, ‘ডিজিটাল রিয়েল-টাইম মনিটরিং’ ও সমন্বিত নদী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, রিসাইক্লিং আধুনিকায়ন ও জনসচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে সরাসরি নদী বা ড্রেনে বর্জ্য ফেলার ঘটনা কমানো হবে।