
সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বিঘ্ন ঘটার পর সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সমুদ্র উত্তাল থাকায় গ্যাস সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটে। শুক্রবার থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সামিট গ্রুপের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরবরাহ শুরু হওয়ায় শিল্প খাত, বিদ্যুৎ উৎপাদন খাত এবং অন্যান্য গ্রাহকরা গ্যাস পাওয়া সহজ হবে। এটি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সহায়তা করবে এবং দেশের জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সামিট এলএনজি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য কার্যক্রম বজায় রাখতে এবং টার্মিনাল ও জাতীয় সঞ্চালন ব্যবস্থার কারিগরি সক্ষমতার মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সামিট বিশ্বাস করে যে, বাংলাদেশের শিল্পোন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
কোম্পানিটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং গ্যাসের ঘাটতি নিরসনে সহায়তা করার জন্য পেট্রোবাংলা ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সামিট এলএনজি টার্মিনালে গ্যাস সরবরাহ স্থগিত হয়। এতে দেশের গ্যাস সংকট আরও গভীর হয়। উত্তাল সমুদ্রের কারণে টার্মিনালের সঙ্গে একটি এলএনজি কার্গো সংযুক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে, এক্সেলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ফলে এটির গ্যাস সরবরাহ ক্ষমতা অর্ধেকে নেমে আসে।