News update
  • New Disasters Hit Rohingya Refugees in Bangladesh     |     
  • Presidential Election Set for August 20     |     
  • PM Urges Eco-Friendly Steps to Curb Riverbank Erosion     |     
  • Moheshkhali LNG Terminal Resumes Partial Operations     |     
  • Dhaka Condemns Hasina's Media Event in New Delhi     |     

মিরাজের সেঞ্চুরি আর তাসকিন-হাসানের বোলিংয়ে স্বস্তিতে বাংলাদেশ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্রিকেট 2026-08-06, 4:52pm

img_20260806_165136-a89fed450db25d0f96e78f965176228f1786013528.jpg




অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে নিজেদের মানিয়ে নিতে অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ। প্রথম দিনটা দিনটা অম্ল-মধুর কেটেছে টাইগারদের। ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হয়নি সফরকারীদের। সেঞ্চুরি করে বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশকে রক্ষা করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দিনের শেষে বোলিংয়ে কিছুটা স্বস্তি নিয়েই দিন শেষ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথম দিন শেষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২ উইকেট হারিয়ে ৫১ রান তুলেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট একাদশ। এর আগে দিনের দ্বিতীয় সেশনে ৭৫.৫ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে ২৬৩ রান তুলে বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা এখনো পিছিয়ে ২১২ রানে। ২৭ বলে ২৬ রানে অপরাজিত আছেন কার্টিস প্যাটারসন আর ৩৬ বলে ২২ রানে জস ফিলিপ।

শেষ বিকেলে বোলিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট তুলে নেন হাসান মাহমুদ। তার বলে অমিত হাসানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন স্যাম কনস্টাস। ৫ বলে মোটে ১ রান করেছেন তিনি। পরের ওভারে আরেক ওপেনার ক্যাম্পবেল কেলাওয়েকে রানের খাতা খোলার আগেই ফেরান তাসকিন আহমেদ।

শুরুর সেই আক্রমণের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। এরপর প্রতিরোধ গড়ে দিনের বাকি সময় পার করেন দেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ব্যাটার কার্টিস প্যাটারসন আর জস ফিলিপ। তৃতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়েন তারা।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনের শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলীয় ৭ রানের মাথায় ফিরে যান ওপেনার তানজীদ হাসান তামিম। রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম ভালো শুরু পেলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলা চালিয়ে গেলেও থেমেছেন ৪৭ বলে ৩১ রানে।

মিডল অর্ডারে তিন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও দায়িত্ব নিতে পারেননি। ধরিগতির ব্যাটিংয়ে ৫৯ বলে ১৬ রান করে বিদায় নেন মুমিনুল। মুশফিক তো ৮ বল খেলে রানের খাতাই খুলতে পারেননি।

দল যখন ঘোর বিপদে তখন তরুণ অমিত হাসানকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন শান্ত। দুজন মিলে কাটিয়ে দিয়েছিলেন প্রথম সেশনের বাকি অংশ। কিন্তু মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে ফিরতেই ভাঙে সেই প্রতিরোধ। ৫৩ বলে ৩৭ রানে ফেরেন শান্ত। এরপর অমিত হাসানও বেশি সময় টিকতে পারেননি। ৬১ বলে ১৫ রান করে আউট হন তরুণ এই ব্যাটার।

এরপর ষষ্ঠ উইকেটে সৌম্য সরকারের সঙ্গে জুটি বেঁধে বাংলাদেশের হাল ধরেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজন মিলে গড়েছিলেন ৪৮ রানের জুটি। ৫৫তম ওভারে সৌম্য ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩৬ বলে রান।

এরপর তাইজুল ইসলামকে নিয়ে জুটি গড়েন মিরাজ। কিন্তু এই জুটিও লম্বা হয়নি। ৩০ রান তুলতেই ফিরে যান তাইজুল। ১৫ বলে ১০ রান করেন তিনি। হাসান মাহমুদও (৬ বলে ৪) সঙ্গ দিতে পারেননি মিরাজকে।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যাওয়া মিরাজ খালেদ আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছে যান তিন অঙ্কের ঘরে। তার সেঞ্চুরিতেই আড়াইশ রান ছাড়ায় বাংলাদেশ। ২৮ বলে ১৫ রান করা খালেদ ফিরলে শেষ হয় বাংলাদেশের লড়াই। শেষ পর্যন্ত ১১ চার আর ৪ ছক্কায় ১৪১ বলে ১০৯ রানে অপরাজিত থাকেন মিরাজ।