News update
  • Fourth Palestinian baby freezes to death in Gaza amid winter crisis     |     
  • Prof Yunus to focus on digital health, youths, ‘Three Zeros’     |     
  • Who’re back in the race? EC clears 58 candidates for Feb polls     |     
  • 8 workers burnt in N’gan Akij Cement factory boiler blast     |     
  • Ex-Shibir activist shot dead in Fatikchhari     |     

ট্রাম্পের রণপ্রস্তুতি ও ইসরায়েলের সতর্কতা, তবে কি ইরানে মার্কিন হামলা?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-11, 8:36pm

334534534-15696d04d56558314603a3263dd542511768142163.jpg




ইরানে সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভ যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, ঠিক তখনই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে জমছে যুদ্ধের ঘনঘটা। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যম ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে নজিরবিহীন পরিমাণ মার্কিন যুদ্ধ সরঞ্জাম ও সামরিক সম্পদ স্থানান্তর করা হয়েছে, যা একটি বড় অভিযানেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েকদিন ধরে তেহরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন যেন বিক্ষোভকারীদের ওপর কোনোভাবেই বলপ্রয়োগ না করা হয়। শনিবার তিনি সরাসরি ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানিদের মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র ‘সহায়তা দিতে প্রস্তুত’। ওয়াশিংটনের এই অনড় অবস্থান এবং রণপ্রস্তুতির খবরে পুরো অঞ্চলে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের পরপরই ইসরায়েল এই লড়াইয়ে সরাসরি যুক্ত হতে পারে।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় ইসরায়েল এখন ‘হাই অ্যালার্ট’ বা উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মধ্যে এক জরুরি ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। যদিও দুই দেশই আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ করেনি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, ইরানের অভ্যন্তরে চলমান অস্থিরতা এবং পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপই ছিল এই আলোচনার মূল বিষয়বস্তু।

ইসরায়েল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইরান যদি কোনোভাবে পাল্টা হামলার চেষ্টা করে বা যুদ্ধের উসকানি দেয়, তবে তেল আবিব এক মুহূর্তও দেরি করবে না। নিরাপত্তা পরামর্শ বৈঠকে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাহিনীকে সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। একদিকে রাজপথে সাধারণ ইরানিদের বিক্ষোভ, আর অন্যদিকে দুই পরমাণু শক্তিধর মিত্রের সামরিক বেষ্টনী—সব মিলিয়ে তেহরান এখন তার ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

এদিকে ইরানও ছেড়ে দেয়ার পাত্র নয়। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বলেন, মার্কিন বাহিনী কোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপ করলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও নৌ-ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাবে ইরান।