News update
  • Support to coastal security, early completion of MRT lines, Airport Terminal III, business promotion assured     |     
  • Tarique Seeks Japanese Support for Energy, Tech and Infrastructure     |     
  • Japan eyes 1 trillion yen investment in Bangladesh over 5 years     |     
  • Dhaka Among World’s 11 Most Polluted Cities on Tuesday     |     
  • Tide Rising, Time Running Out For Coastal People, Wildlife      |     

তেহরান বৈঠক : আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন প্রাণ ফেরানোর প্রচেষ্টা?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-10-26, 11:15pm

tehraan-a7d8c82d85637b6481192620430056701793034935.jpg




যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে পূর্ণমাত্রার সামরিক সংঘাতের ঝুঁকিময় আবহেই তেহরানে শুরু হয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠক। ইরানের সঙ্গে সদ্য আত্মপ্রকাশ করা ‘মক্কা চুক্তি’র অধীনে থাকা দেশ সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের পদস্থ কর্মকর্তারা এই বৈঠক শুরু করেছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সংঘাতের বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনার মুখে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের কূটনীতি পুনরুজ্জীবিত করার এটিই হয়তো ‘শেষ সুযোগ’। খবর আল জাজিরার।

অত্যন্ত সংবেদনশীল এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের কর্মকর্তাদের স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করার বিষয়ে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করতে দেখা যাচ্ছে। গতকাল রোববার (২৫ অক্টোবর) কাতারের প্রতিনিধিদলের সফর নিয়ে এক শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বৈঠকটিকে একটি ‘নিয়মিত আলোচনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

কিন্তু মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের বাস্তব ঝুঁকির কারণে বর্তমান প্রেক্ষাপটকে কোনোভাবেই ‘নিয়মিত বা সাধারণ সময়’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সমাবেশটি মূলত থমকে যাওয়া আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন প্রাণ ফেরানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে নিরাপত্তা ইস্যুই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

তেহরান থেকে এখন মূলত দুটি ভিন্ন বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। একদিকে তারা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার সদিচ্ছা দেখাচ্ছে, অন্যদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার মূল দাবিগুলো দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে রয়েছে।

তবে এই বৈঠকের আরেকটি বড় গুরুত্ব হলো- যদি আবার বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হয়, তবে এই অঞ্চলের দেশগুলো কতদূর পর্যন্ত মেনে নেবে বা তাদের চূড়ান্ত সীমা (রেড লাইন) কী হবে, তা স্পষ্ট করা।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য রক্তক্ষয়ী সংঘাত এড়াতে এটিই এখন পর্যন্ত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অন্যতম এবং শেষ মাধ্যম বলে মনে করা হচ্ছে।