News update
  • PM Stresses Education, Health for Nation-Building     |     
  • Australia hold off Bangladesh fightback to seal T20I series     |     
  • Brahmaputra erosion leaves 30 families homeless in Kurigram char     |     
  • Held 30 years after murder: Prime accused in Netrokona jail     |     
  • Govt approves draft of Gambling Prevention Act, 2026     |     

জাতীয়তাবাদী চারু ও কারুশিল্পী দলের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংগঠন সংবাদ 2026-04-24, 8:56am

gertwerewrwe-0a62158e7b9722c543e49d39d6807e411776999398.jpg




বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চারু ও কারুশিল্পী দলের উদ্যোগে ‘সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন- জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)-এর নির্বাহী পরিচালক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চারু ও কারুশিল্পী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. শেখ মনির উদ্দিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় দে রিপন।

অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চারুশিল্পী অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তারকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

এছাড়া দেশের পাঁচজন বিশিষ্ট কারুশিল্পী শতরঞ্জি শিল্পী মো. আনোয়ার হোসেন, নকশিকাঁথা শিল্পী রুনা বেগম, বাঁশ-বেত শিল্পী মো. জয়নাল, শখের হাঁড়ি শিল্পী সঞ্জয় কুমার এবং শীতলপাটি শিল্পী গীতেশ চন্দ্র দাসকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সংবর্ধিত অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের চারুশিল্পের বিকাশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরেন এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে তাঁর ভূমিকার স্মৃতিচারণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া ও একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তারসহ সম্মাননাপ্রাপ্ত কারুশিল্পীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের শিল্পকলাকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং শিক্ষা কারিকুলামে চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করেন।

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, শিল্পীদের সংগঠিত কোনো পেশাজীবী প্ল্যাটফর্ম না থাকায় অতীতে শিল্প-সংস্কৃতিতে বিভিন্ন প্রভাব বিস্তার হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ সংগঠন সৃজনশীল পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ করে স্বদেশী শিল্প-সংস্কৃতিকে এগিয়ে নেবে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. শেখ মনির উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে সমুন্নত রাখতে এ ভূখণ্ডের সকল জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে সমন্বিতভাবে লালন করা প্রয়োজন।