News update
  • Dhaka Tops Global Pollution List with Hazardous Air     |     
  • Country Observes Martyred Army Day Today     |     
  • 100 CSOs rally against Trump’s trade tactics, urge access to drugs     |     
  • BNP believes in multiparty democracy, not revenge: Moyeen Khan     |     
  • Bangladesh reaffirms commitment to revitalise SAARC process     |     

ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে, যা যা লাগবে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিবিধ 2026-02-23, 3:16pm

rtddserew-743bf49accf8b7f2cccaaff6cc5f5c0c1771838172.jpg




প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম যুগান্তকারী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’। দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে আসছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ কার্ডের পরিকল্পনা করেছে নতুন সরকার। আসন্ন ঈদের আগেই শুরু হচ্ছে এই পাইলট প্রকল্প। যার আওতায় প্রত্যেক সুবিধাভোগীকে মাসে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হতে পারে।

এতে ৫০ লাখ সুবিধাভোগীর জন্য বছরে সরকারকে গুণতে হবে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি। ফ্যামিলি কার্ডের জন্য শুরুতে বাছাই করা হয়েছে বগুড়া ও দিনাজপুরের ৮টি উপজেলাকে। এরমধ্যে পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে বগুড়ার গাবতলী ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায়। এ ক্ষেত্রে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

এজন্য সুবিধাভোগী বাছাইয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ খানা জরিপকে আমলে নেওয়া হচ্ছে।

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা ও লক্ষ্য

এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সহায়তার এই অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে, যা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় এই কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া ও তথ্য সংগ্রহ

একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এর ফলে সহায়তা বিতরণে অনিয়ম ও মধ্যস্থতা কমবে। প্রাথমিকভাবে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে সারা দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।

আবেদন করতে যা যা লাগবে

যদিও আবেদন প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়নি, তবে প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে নিচের কাগজগুলো সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে—

১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর।

আবেদন কোথায় করবেন

পাইলট প্রকল্প শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়া ঘরে বসে দ্রুত আবেদনের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার। প্রতি পরিবারে কেবল একটি কার্ড ইস্যু করা হবে, যার মাধ্যমে মাসিক নগদ টাকা বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাবে।