News update
  • NCP Demands Impeachment, Arrest of President     |     
  • PM Pledges to Modernise, Strengthen Border Force     |     
  • Dhaka Tops Global Pollution List with Hazardous Air     |     
  • Country Observes Martyred Army Day Today     |     
  • 100 CSOs rally against Trump’s trade tactics, urge access to drugs     |     

বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়েই জনগণকে লাভবান করার চেষ্টা করছি: জ্বালানিমন্ত্রী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিদ্যুৎ 2026-02-26, 6:31pm

ertewrewrqweq-cf1379534b003bcc1dfb802a29d6eb701772109108.jpg

জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।



বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিশৃঙ্খল অবস্থা দূর করে শৃঙ্খলা ফেরাতে সময়ের প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি বলেন, ‘জনগণের ওপর ঋণের বোঝা চাপিয়ে রাখা ভালো নয়। আমরা চেষ্টা করছি বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়েই কীভাবে সাধারণ মানুষকে লাভবান করা যায়।’

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর জ্বালানি খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমি একটি অত্যন্ত বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে জ্বালানি খাতের দায়িত্ব নিয়েছি। রাতারাতি সবকিছু ঠিক করা সম্ভব নয়; এই খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কিছুটা সময় লাগবে।’ তিনি জানান, বিগত সময়ে জনগণের ওপর ঋণের বিশাল দায় রেখে যাওয়া হয়েছে, যা এই খাতের জন্য একটি বড় বোঝা।

সাবেক সরকারের সমালোচনা করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘হয়তো বলবেন, আমার সময় ব্ল্যাক আউট ছিল, আর এখন আলো জ্বলছে। কিন্তু এই আলোর পেছনে জনগণের ওপর ঋণের পাহাড় রেখে যাওয়া হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, কষ্ট করে থাকা ভালো, কিন্তু ঋণের বোঝা বয়ে বেড়ানো ঠিক না। আমি জনগণের ওপর ঋণের দায় রেখে যাইনি।’

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে বহু কমিশন বসিয়েও কোনো দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার চরিত্র হনন করা হয়েছে। ভুল সাংবাদিকতার কারণে আমার পরিবারকে ভিকটিম হতে হয়েছে।’

জ্বালানি খাতের আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের ওপর অনেক ঋণের দায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেও আমরা বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পারছি না। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা, যাতে রাষ্ট্র ঋণের ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকে এবং সাধারণ জনগণ সরাসরি উপকৃত হয়।’

তিনি আরও জানান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জ্বালানি খাতের প্রতিটি স্তরে সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।