News update
  • U.S. Special Envoy Sergio Gor Concludes BD visit: Resolve for stronger ties     |     
  • Civilian death toll climbs in Gaza, Lebanon and West Bank     |     
  • US Envoy Sergio Gor Meets PM Tarique Rahman in Dhaka     |     
  • Fifa Scraps World Cup Investment Plan After Member Backlash     |     
  • Dhaka Air Quality Remains Moderate, Ranks 18th Globally     |     

বেসরকারি খাতে দেওয়া হচ্ছে দেশের একমাত্র আইকনিক রেলস্টেশন

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-08-02, 7:21am

img_20260802_072040-234fd1b744006877378fdc8f6e19134c1785633697.jpg




কক্সবাজারের আইকনিক রেলস্টেশনটির পূর্ণাঙ্গ পরিচালনার দায়িত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।

কক্সবাজার পৌঁছে ঝিনুক আকৃতির দৃষ্টিনন্দন আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন তিনি। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‌কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনকে শুধু একটি রেলস্টেশন হিসেবে নয়; একে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনবান্ধব রেল হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যেই স্টেশনটির পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা নিশ্চিত করতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। 

তিনি বলেন, এখন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। একইসঙ্গে রেলওয়ের অবকাঠামো, নিরাপত্তা ও পরিবেশগত সমস্যাগুলোও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

দৃষ্টিনন্দন আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনটি পরিদর্শনকালে স্টেশনের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং যাত্রীসেবা, অবকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে স্টেশনটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।

দুপুরে চকরিয়া স্টেশন পরিদর্শনের সময়ও সাংবাদিকদের একই কথা বলেন হাবিবুর রশিদ। তিনি বলেন, কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন বেসরকারি খাতে পরিচালনার জন্য দেওয়া হলে সেটি কতটা কার্যকর ও জনবান্ধব হবে, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি কক্সবাজারমুখী রেলপথের বিভিন্ন স্টেশনের সার্বিক অবস্থা, পরিচালনব্যবস্থা এবং যাত্রীসেবার মানও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণের সময় প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার গাছ কাটা হয়েছিল উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিপূরণ হিসেবে যেসব গাছ লাগানো হয়েছিল, সেগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কোথাও ঘাটতি থাকলে সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে তা পূরণ করা হবে। রেলওয়ে, স্থানীয় সংসদ সদস্য, রেল, বন বিভাগ ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে নতুন করে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। রেললাইন নির্মাণে পরিবেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পুনর্বাসনমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

এসময় রেলের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনও অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান ব্যবস্থায় দরপত্রে দলীয়করণ বা প্রভাব খাটানোর সুযোগ নেই। এরপরও কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।