News update
  • Former Syrian President Assad Sentenced to Death in Absentia     |     
  • PM Welcomes Visa Investment in Bangladesh’s Digital Economy     |     
  • PM Tarique inaugurates three pilot SDG villages     |     
  • Indian High Commissioner Trivedi meets PM Tarique     |     
  • SSC, Equivalent Exam Results Published, Pass Rate 62.25%     |     

পটুয়াখালীতে অপহরণের পর ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার- ৩

পুলিশ 2026-06-15, 10:32pm

arrest-ca18c053a56624cb6d6ad2fbf8b453b61781541129.jpg

Arrest



পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান চালককে অপহরণ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে অপহৃত যুবককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত অটোভ্যান ও দুটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মহিপুর উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নের তারিকাটা এলাকার বাসিন্দা মো. হাসানের ছেলে মো. রাফি খান (১৯) পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান চালক। গত ১৩ জুন অভিযুক্তরা রাফির অটোভ্যান ভাড়া নিয়ে কুয়াকাটার বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করে এবং পরদিন আবার ভাড়া নেওয়ার কথা বলে তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে।

পরদিন ১৪ জুন সকালে অভিযুক্তরা রাফিকে কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাজীপুর ব্রিজ এলাকার আবুল কাশেম জামে মসজিদের সামনে আসতে বলে। সেখানে পৌঁছানোর পর পরিকল্পিতভাবে তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অপহরণের পর দুর্বৃত্তরা রাফির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় রাফির বাবা মো. হাসান প্রথমে ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। এরপরও বাকি টাকা না দিলে রাফিকে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে কলাপাড়া থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করে। রাতে বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অভিযুক্ত মো. জাহিদ প্যাদা ও মো. ইমরান গাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চাকামইয়া ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত রাফি খানকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত অটোভ্যান ও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এবং অপর অভিযুক্ত মো. কোয়েল গাজীকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

উদ্ধারের পর রাফি খান জানান, অপহরণের পর তাকে একটি নির্জন স্থানে আটকে রেখে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। মূল উদ্দেশ্য ছিল তার পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা। পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। - গোফরান পলাশ