
রমজানে দীর্ঘ সময় রোজা রাখার কারণে শরীরে শক্তির ঘাটতি, পানিশূন্যতা ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। এ সময় খাদ্যতালিকায় বিটরুট রাখলে নানা উপকার পাওয়া যায়।
রমজানে বিটরুটের উপকারিতা দেখে নিন-
১. দ্রুত শক্তি জোগায়: বিটরুটে প্রাকৃতিক চিনি ও কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা ইফতারে খেলে দ্রুত শক্তি ফেরাতে সাহায্য করে। রোজা ভাঙার পর ক্লান্তি কমাতে এটি কার্যকর।
২. রক্তস্বল্পতা দূর করতে সহায়ক: বিটরুট আয়রন ও ফলেটসমৃদ্ধ। যারা অ্যানিমিয়ায় ভোগেন, তাদের জন্য এটি উপকারী হতে পারে। নিয়মিত খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা উন্নত হতে সাহায্য করে।
৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: বিটরুটে থাকা নাইট্রেট রক্তনালী প্রসারিত করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি থাকলে এটি ভালো সংযোজন।
৪. হজমে সহায়ক: ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় বিটরুট কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং রমজানে বদহজমের সমস্যা ঠেকাতে সাহায্য করে।
৫. পানিশূন্যতা কমাতে সাহায্য করে: বিটরুটে পানির পরিমাণ বেশি। ইফতারে বিটরুটের সালাদ বা জুস শরীরকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।
৬. লিভার ভালো রাখে: বিটরুটে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারের কার্যকারিতা ভালো রাখতে সহায়ক, যা রমজানে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাওয়ার ক্ষতি কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
কীভাবে খাবেন?
১. ইফতারে বিটরুট, শসা ও গাজর দিয়ে সালাদ
২. বিটরুটের হালকা জুস (অতিরিক্ত চিনি ছাড়া)
৩. সেহরিতে সিদ্ধ বিটরুট ছোট পরিমাণে
সতর্কতা
১. ডায়াবেটিস থাকলে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে খান।
২. কিডনিতে পাথরের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন (বিটরুটে অক্সালেট থাকে)।