News update
  • Trump says no longer sending Witkoff and Kushner to Pak for Iran talks     |     
  • Iran FM Leaves Pakistan Before US Delegation Arrives     |     
  • BIP calls for shift to public transport to ensure energy security     |     
  • Commercial flights resume at Tehran airport after two months     |     
  • 11 more children die of measles, similar symptoms in 24 hrs: DGHS     |     

ফের লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খাদ্য 2025-08-15, 1:53pm

img_20250815_135036-3512d1543f0cacf25d5b28b76eeef8b61755244390.jpg




কয়েক দিন ধরে সব ধরনের সবজির দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে, যার প্রভাব আজও বাজারে দেখা গেছে। বাসাবাড়িতে নিয়মিত খাওয়া হয় এমন অধিকাংশ সবজির দাম এখন ৮০ টাকার ওপরে। সবজির দাম চড়া থাকায় অস্বস্তি বেড়েছে ক্রেতাদের; বিশেষ করে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষেরা বেশি সংকটে পড়েছেন।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সবজির বাজারে এমন বাড়তি দামের চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে অধিকাংশ সবজির দাম ৮০ টাকার ওপরে। সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বেগুনের দাম। বাজারে ১০০ টাকার নিচে কোনো বেগুন নেই, সর্বোচ্চ দাম ২০০ টাকা। তিন সপ্তাহ আগেও ৬০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে এক কেজি বেগুন কেনা যেত। অন্যান্য সবজির মধ্যে প্রতি কেজি করলা, বরবটি, কাঁকরোলের দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা; আমদানি করা টমেটোর কেজি ১৬০-১৮০ টাকা; আর পটোল, ঢ্যাঁড়স, ঝিঙার কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। কেজিতে ৬০ থেকে ৮০ টাকা দামে কেনা যায় চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, কচুমুখি প্রভৃতি সবজি। আর ৫০ টাকার নিচে রয়েছে শুধু মিষ্টিকুমড়া, পেঁপে, কাঁচকলাসহ হাতে গোনা কয়েকটি সবজির দাম। এ ছাড়া প্রতিপিস লাউ ৭০-৮০ টাকা ও চালকুমড়া ৫০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতিকেজি কাঁচা মরিচের দাম এখন ২০০-২৪০ টাকা।

রাজধানীর সেগুনবাগিচা বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী মোরশেদ আলম। তিনি বলেন, আজকে বাজারে দেখছি সব ধরনের সবজির অতিরিক্ত দাম। বিগত কিছুদিন যাবত সবজির দাম বাড়তি যাচ্ছে, অথচ কী কারণে বাড়তি যাচ্ছে বা বাজার নিয়ন্ত্রণের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করতে কাউকে দেখা যাচ্ছে না। যদি সবজির এত দাম হয়, তাহলে সাধারণ ক্রেতা খাবে কী?

পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, টানা বৃষ্টির কারণে ক্ষেত থেকে সবজি সংগ্রহে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহন খরচও বেড়েছে। এর ফলে পাইকারি দামের সঙ্গে খুচরা দামের ফারাকও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে বাজারে ইলিশের দাম কিছুটা কমলেও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য মাছ। বড় ইলিশ কেজি ২৪০০ থেকে ২৫০০ টাকা, ছোট ইলিশ ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা, বড় রূপচাঁদা ১৬০০ টাকা, ছোট রূপচাঁদা ১০০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতলা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, পাঙ্গাস ৬০০ টাকা, বোয়াল ৯০০ টাকা, তেলাপিয়া ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, শিং মাছ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম বেড়েছে মুরগিরও। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়; আর প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৪০ টাকায়। এ ছাড়া প্রতিকেজি দেশি মুরগি ৬০০-৭০০ টাকা, সাদা লেয়ার ৩১০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকায়।

বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ডিমও। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম ১৪৫-১৫০ টাকা ও সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫-১৪০ টাকায়। এ ছাড়া প্রতি ডজন হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকায়। 

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে হঠাৎ করে বেড়েছে ডিমের চাহিদা। কিন্তু সেই তুলনায় বাড়েনি সরবরাহ; যা বাড়িয়ে দিচ্ছে ডিমের দাম।

এদিকে, পাইকারিতে দাম কমলেও এর প্রভাব এখনো পড়েনি পেঁয়াজের খুচরা বাজারে। ফলে ভোক্তাদের বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে পেঁয়াজ। সীমান্ত নামে এক ক্রেতা বলেন, প্রতিকেজি পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ৮৫-৯০ টাকায়। যা এক ধরনের জুলুম। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আমদানির পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে তদারকি বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি মো. ইমরান মাস্টার জানান, বর্তমানে লিন সিজন বা কম উৎপাদনের মৌসুম চলছে। এ সময় আবহাওয়ার কারণে জমিতে সবজি চাষ কম হয়, ফলে সরবরাহও কমে যায়। এ কারণে বর্তমানে বাজারে সবজির দাম বেশি। আরটভি