News update
  • Revenue Collection Faces Tk98,000 Crore Shortfall     |     
  • Nuclear Risks Test Global Pact at UN Talks Next Week     |     
  • Iran Rejects Direct US Talks as Envoys Head to Islamabad     |     
  • Pricing pollution: Does it work?     |     
  • 13 years of Rana Plaza tragedy: Workers want justice, pay tribute     |     

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বৃষ্টিও মারা গেছেন, দাবি ভাইয়ের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-04-25, 12:13pm

54e14ba83224c65e0f77334ef082c05001342072e2392216-932c895c218d41ff510e9eb79a3c3f981777097613.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ আরেক বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির খোঁজ এখনও মেলেনি। ফেসবুক পোস্টে তার ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত দাবি করেছেন, নাহিদা বৃষ্টিও মারা গেছেন। তবে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ বৃষ্টির নিহতের বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক ফেসবুক পোস্টে জাহিদ হাসান প্রান্ত লেখেন, ‘আমাদের বোন আর আমাদের মাঝে নেই, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।’

এর আগে, অপর নিখোঁজ শিক্ষার্থী জামিল হাসান লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের হিলসবরোর স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এক সংবাদ সম্মেলনে ফ্লোরিডার ট্যাম্পার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ থেকে জামিলের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানায়।

শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের মাঝে। নিহত জামিল ইউএসএফের ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডির শিক্ষার্থী। আর নাহিদা কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারং এর শিক্ষার্থী। তাদের দুজনকে সবশেষ ১৬ এপ্রিল দেখা গিয়েছিল।

এদিকে হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, লিমনের হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ তার নাম হিশাম আবুঘরবেহ বলে উল্লেখ করেছে। তার বিরুদ্ধে প্রমাণ নষ্ট করা এবং অনুমোদনহীনভাবে মরদেহ সরানো বা লুকানোর মতো অভিযোগ আনা হয়েছে।

হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে একটি মরদেহের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে মরদেহটি নিখোঁজ জামিল আহমেদ লিমনের বলে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষ।

শেরিফের দফতর জানিয়েছে, গ্রেফতার হিশামের বিরুদ্ধে ছয়টি সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পারিবারিক সহিংসতা, সাধারণ প্রহার, কাউকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা, কারও মৃত্যু সংবাদ পুলিশকে না জানানো এবং বেআইনিভাবে মৃতদেহ সরানো বা নাড়াচাড়া করা।