
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় তার দুই দিনের সরকারি সফর শেষে রাতে কুয়ালালামপুর হয়ে চীনে পৌঁছেছেন।
সোমবার (২২ জুন) রাতে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে) দালিয়ান ঝৌশুইজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
লিয়াওনিং প্রদেশের ভাইস উপ গভর্নর বাই ইং এবং চীনের নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিমানবন্দরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রীকে স্বাগত জানান।
বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক গাড়িবহরে করে হোটেল শাংরি-লা-তে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি দুই দিন অবস্থান করবেন।
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে যাওয়ার আগে দালিয়ানে প্রধানমন্ত্রীর একটি ব্যস্ত কর্মসূচি থাকবে, যেখানে তার সরকারি সফরের প্রধান কার্যক্রম শুরু হবে.
তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সভায় (সামার দাভোস ফোরাম ২০২৬) অংশগ্রহণ করবেন।
কর্মকর্তারা বলেছেন, চীন ও বাংলাদেশ তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের পরবর্তী পর্যায়—‘সোনালী ৫০ বছর’-এ প্রবেশ করার মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম চীন সফরটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারা আরও বলেন, এই সফরটি অতীতের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে চীনে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাষ্ট্রীয় এই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন এবং বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের প্রথম সরকারি বিদেশ সফর এটি প্রধানমন্ত্রীর। এ সফর শেষে তারেক রহমান ২৬ জুন দেশে ফিরবেন বলে নির্ধারিত রয়েছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম আজ একান্তে বৈঠক করেছেন। এছাড়া দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হয় এবং একটি সমঝোতা স্মারক ও আরও দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সূত্র বাসস