News update
  • 8 workers burnt in N’gan Akij Cement factory boiler blast     |     
  • Ex-Shibir activist shot dead in Fatikchhari     |     
  • Class X student brutally murdered in capital’s Banasree     |     
  • 'Bodycams' to be used at risky polling centres: IGP Baharul      |     
  • 7,359 people killed in road accidents in 2025: Road Safety Foundation     |     

ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে আগ্রহী নয় বাংলাদেশ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্রিকেট 2026-01-10, 10:22am

a989179b0f53e45fb1138ccba595f1296cf2e5fda98b7de7-17f83cdb536a2dc9414b613311124f5d1768018928.jpg




আগামী মাসের ৭ তারিখ থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। এবারের টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ভারত, সহ-আয়োজক হিসেবে আছে শ্রীলঙ্কা। তবে নিরাপত্তা সংকটের কথা জানিয়ে এই মেগা টুর্নামেন্ট ভারতে গিয়ে খেলবে না বলে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। তবে এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ভারত সরকার।

আইপিএলের এবারের নিলাম থেকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে ভারতে কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর তোপের মুখে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মোস্তাফিজকে বাদ দেয় কলকাতা। এরপর ভারতে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সে দেশে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বিসিবি।  

তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চায় না ভারতীয় সরকার। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেই কেবল প্রতিক্রিয়া দেখাবে তারা। ভারত এ-ও জানিয়েছে, ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া আর না যাওয়া পুরোপুরি বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। 

ভারত থেকে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সরিয়ে নিতে আইসিসিকে একটা একটা চিঠি দিয়েছে বিসিবি। তাদেরই-মেইলের জবাবও দিয়েছে আইসিসি। যেখানে বাংলাদেশের নিরাপত্তা শঙ্কার জায়গাগুলো জানতে চেয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এরপর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে আলাপ করে নিরাপত্তা শঙ্কার বিস্তারিত তুলে ধরেছে বিসিবি।

বাংলাদেশ সরকার ও ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তারা এখন আইসিসির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়। অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে ভারত সরকার কিংবা উচ্চপদস্থ কেউ সরাসরি মুখ না খুললেও, তাদের ভাবনা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’। ভারত মূলত বিশ্বকাপ খেলতে দেশটিতে যাওয়ার ভার বাংলাদেশের ওপর ছেড়ে দিয়েছে। তবে তারা সব অংশগ্রহণকারী দেশকেই উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত। 

সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, দেশের (ভারত) কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি মুহূর্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে নিয়মিত। তবে বাংলাদেশ সরকার নিজেদের চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট না করা পর্যন্ত ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাবে না। বাংলাদেশ যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াতে চায় বা ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি পুরোপুরি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। 

সূত্রের বরাতে ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘এটা একটি বহুজাতিক টুর্নামেন্ট। অলিম্পিক চার্টার অনুযায়ী ভারত সব অংশগ্রহণকারী দেশকে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশ যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াতে চায় বা ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি পুরোপুরি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। প্রথম সিদ্ধান্তটা ঢাকাকেই নিতে হবে।’ 

পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ভারতের একটি নির্দিষ্ট ক্রীড়া নীতি রয়েছে। সে অনুসারে—দুই দেশের মধ্যে কোনো দ্বিপাক্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হবে না এবং একে অপরের দেশে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতেও যাবে না। কেবল বহুজাতি টুর্নামেন্টে পাকিস্তান-ভারত ম্যাচগুলো সাধারণত নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজনের ব্যাপারে বিসিসিআই ও পিসিবির মধ্যে আলাদা সমঝোতা আছে। 

পাকিস্তানের জন্য বিভিন্ন স্তরে বাধা থাকলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এমন কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছে ভারত। দেশটির সরকারি সূত্র বলছে, ‘বাংলাদেশ দল খেলতে এলে পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভারত সবসময়ই অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে স্বাগত জানাতে চায়। তারা আসবে কি না—এ সিদ্ধান্ত একান্তই বাংলাদেশের।’