News update
  • Kuakata's natural beauty destroyed by intense sea erosion     |     
  • 461 stranded tourists evacuated from Sajek Valley     |     
  • 30,000 marooned as Khowai embankment breaches in Habiganj     |     
  • Floods Leave Southern Chattogram Under Water     |     
  • Karmasangsthan Bank Aims to Create 900,000 Jobs     |     

জাবি ছাত্রীকে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা, মশাল হাতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্যাম্পাস 2026-05-14, 7:51am

b422dd0690370982d9d05b6b6160208b42d8b77ad1fa4a0e-79b0eddbda72723737bb49c038c6c3111778723473.jpg




জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক ছাত্রীকে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থতার প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নারী শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৩ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টারজান এলাকা থেকে বের করা মিছিলে সহস্রাধিক নারী শিক্ষার্থী অংশ নেন।

মিছিলটি ছাত্রীদের ১০টি আবাসিক হলের সামনে দিয়ে গিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ে শেষ হয়। এর আগে রাত ১০টার দিকে বটতলা এলাকা থেকে ছাত্ররা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি টারজান এলাকায় গিয়ে নারী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে যুক্ত হয়ে তাদের সঙ্গে সংহতি জানায়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘ধর্ষকের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’, ‘ক্যাম্পাসে ধর্ষণ করে, প্রক্টর কী করে?’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘আমার সোনার বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি জানান। তাদের দাবিগুলো হলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমকে দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করতে হবে, ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে প্রক্টরিয়াল বডিকেও পদত্যাগ করতে হবে, নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা প্রতিরোধে কুইক রেসপন্স কার্যকরী টিম গঠন করতে হবে, ক্যাম্পাসে নারী নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দিতে হবে এবং কুইক রেসপন্স টিমে যুক্ত করতে হবে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হলের পাশে এক ব্যক্তি গলায় কাপড় পেঁচিয়ে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পথচারীরা টের পয়ে তাকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যায়। অভিযুক্ত এসময় দ্রুত পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর অভিযুক্তকে শনাক্তে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে নেয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায়। সেখানে কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী, প্রক্টর ও জাকসু নেতার উপস্থিতিতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্তকে বহিরাগত হিসেবে শনাক্ত করা হয়।