News update
  • Integrated Ganges Management Will Save River, Benefit People     |     
  • Net FDI in Bangladesh jumps 39.36% to $1.77 billion in 2025     |     
  • Bangladesh, US sign energy cooperation MoU in Washington     |     
  • UNAIDS Warns HIV Services Face Crisis Amid Funding Cuts     |     
  • Central Bank approves liquidation of 5 ailing NBFIs from July     |     

চীন ছাড়লেন ট্রাম্প, বড় বাণিজ্যিক চুক্তির ঘোষণা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2026-05-15, 8:08pm

afp_20260515_b2wl3vu_v1_highres_chinausdiplomacy-1778828097-71999cde87f173112715180e7df3cb5e1778854126.jpg




চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও হাই-প্রোফাইল সফর শেষ করে ওয়াশিংটনের পথে রওনা হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেইজিংয়ে কাটানো ৪০ ঘণ্টার এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু নিবিড় সফর শেষে ট্রাম্প বড় ধরনের বাণিজ্যিক অর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন, যা দুই পরাশক্তির মধ্যকার দীর্ঘদিনের বাণিজ্য সংঘাত নিরসনে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

আজ শুক্রবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে বেইজিং ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে এয়ার ফোর্স ওয়াননে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। খবর আলজাজিরার।

সফর শেষে ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং চীনের কাছে ২০০টি জেট বিমান বিক্রির বড় চুক্তি নিশ্চিত করেছে। এর পাশাপাশি আগামী তিন বছরে চীনের বাজারে কয়েক বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষি পণ্য রপ্তানির বিষয়েও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যকার বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। 

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একান্ত আলোচনার পর ট্রাম্প দাবি করেন, বেইজিং তাদের বাজার মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য আরও উন্মুক্ত করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। ট্রাম্পের এবারের প্রতিনিধি দলে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। যারা চীনের এই নতুন নীতিকে বড় ধরনের বিনিয়োগের সুযোগ হিসেবে দেখছেন। যদিও দুই দেশের বাণিজ্য তদারকির জন্য একটি বিশেষ ‘বোর্ড অব ট্রেড’ গঠনের আলোচনা শোনা যাচ্ছিল। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। 

সফরের শেষ দিনে ট্রাম্পকে চীনের সবচেয়ে সংরক্ষিত স্থান ‘ঝংনানহাইয়ে‘ আতিথেয়তা দেওয়া হয়, যা দুই নেতার মধ্যে গভীর ব্যক্তিগত আস্থার ইঙ্গিত দেয়। ট্রাম্প এই সফরকে ‘অত্যন্ত সফল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে এটি কেবল শুরু; চলতি বছরেই দুই নেতার মধ্যে আরও তিনটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আগামী সেপ্টেম্বরে শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফর।

সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের এই বেইজিং সফর গত বছরের চরম অস্থিরতা ও উচ্চ শুল্ক হারের তিক্ততা কাটিয়ে একটি স্থিতিশীল ও গঠনমূলক বাণিজ্যিক সম্পর্কের সূচনা করবে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল।