News update
  • Tarique Seeks Japanese Support for Energy, Tech and Infrastructure     |     
  • Japan eyes 1 trillion yen investment in Bangladesh over 5 years     |     
  • Dhaka Among World’s 11 Most Polluted Cities on Tuesday     |     
  • Tide Rising, Time Running Out For Coastal People, Wildlife      |     
  • Dhaka Turns To Solar As Fuel Crisis Turns Power Plants Idle      |     

অক্টোবরের আকাশে বিরল ‘হান্টার্স মুন’, পাশে দেখা মিলবে শনি গ্রহের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক আবহাওয়া 2026-10-26, 7:35am

b7f17a30-c6f1-11f1-bc2e-018d645d8d21-84b0a9c9233f56c0f8727f24a475bba41792978557.jpg




মহাকাশপ্রেমীদের জন্য চলতি সপ্তাহের শেষভাগে অপেক্ষা করছে এক দারুণ মহাজাগতিক দৃশ্য। অক্টোবরের পূর্ণিমার উজ্জ্বল আলোর পাশাপাশি রাতের আকাশে চোখ রাখলে দেখা মিলবে সৌরজগতের অন্যতম আকর্ষণ শনি গ্রহের।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে নাসা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্যের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়।

শরৎকালীন বিষুব বা ‘ফল ইকুইনক্স’-এর ঠিক এক মাস পর উদিত হতে যাওয়া এই পূর্ণিমার চাঁদ সূর্য ডোবার পরপরই দৃশ্যমান হবে। ‘আর্থস্কাইয়ের’ তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত ১২টা ১২ মিনিটে চাঁদ তার সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা বা পিক ইলুমিনেশন লাভ করবে। রোববার রাতে আকাশ অন্ধকার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চাঁদের ঠিক কয়েক ডিগ্রি দক্ষিণে সোনালী আভায় দৃশ্যমান হবে শনি গ্রহ।

দিগন্তের কাছাকাছি নিচু হয়ে থাকার কারণে পূর্ণিমার এই চাঁদটিকে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কমলা বা লালচে বর্ণে দেখা যেতে পারে। বায়ুমণ্ডলের ঘন স্তরের মধ্য দিয়ে চাঁদের আলো আসার কারণে নীল ও বেগুনি তরঙ্গের আলো ছোট হয়ে কমলা ও লাল আলো বেশি ফুটে ওঠে, যা ঠিক সূর্যাস্তের ছায়ার মতো পরিবেশ তৈরি করে।

ঐতিহাসিকভাবে অক্টোবরের এই পূর্ণিমাটিকে ‘হান্টার্স মুন’ বা শিকারির চাঁদ নামে ডাকা হয়। আমেরিকান আদিবাসীরা শীতের খাবারের প্রস্তুতি নিতে এবং রাতে বন্যপ্রাণী শিকার করতে এই উজ্জ্বল জোছনার আলো ব্যবহার করতেন। সেপ্টেম্বরের ‘হারভেস্ট মুনের’ পর প্রতিবছর এই হান্টার্স মুন আবির্ভূত হয়।

মেরিল্যান্ডের নাসা গোডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের প্রধান বিজ্ঞানী নোয়াহ পেট্রো বলেন, চাঁদের এই নামগুলোর পেছনে বিশেষ ঋতুভিত্তিক অর্থ রয়েছে। চাঁদ দেখার সময় এই সময়টি নিজের জন্য কী অর্থ বহন করে তা অনুভবের জন্য আমি সবাইকে উৎসাহিত করি। বিভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠী একে ‘ধান শুকানোর চাঁদ’, ‘ঝরা পাতার চাঁদ’ বা ‘পরিযায়ী চাঁদ’ হিসেবেও অভিহিত করে থাকে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পরবর্তী কয়েক মাস চাঁদকে আবার স্বাভাবিক রুপালি রঙে দেখা যাবে। নাসা ক্রু নিয়ে চন্দ্র অভিযানের ‘আর্টেমিস ৩’ মিশনের অন্যতম বিজ্ঞানী পেট্রো জানান, চাঁদের পৃষ্ঠের বয়স ও উপাদান ভিন্ন হওয়ার কারণেই বিভিন্ন সময়ে চাঁদের রঙ ও আলোর তারতম্য ঘটে। আগামী ২০২৭ সালের জুনে আর্টেমিস মিশনের মাধ্যমে এসবের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস উন্মোচন করার পরিকল্পনা রয়েছে নাসা টিমের।

মহাকাশ গবেষকরা পরামর্শ দিয়েছেন, খোলা মাঠ বা উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে খালি চোখেই এই চাঁদ ও শনি গ্রহের সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। কুয়াশামুক্ত পরিষ্কার আকাশ ও দৃষ্টিশক্তি থাকলে যে কেউ এই মহাজাগতিক রূপের প্রেমে পড়ে যাবেন। রোববার রাতে আকাশ অন্ধকার থাকলে সোমবারও পূর্ণিমার চাঁদ দৃশ্যমান থাকবে।

হান্টার্স মুনের পর আগামী সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে চাঁদ তারকা পুঞ্জ ‘প্লেয়াডেস’ বা ‘সপ্তর্ষি/সাত বোনের’ কাছ দিয়ে অতিক্রম করবে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ১৩টি পূর্ণিমার মধ্যে এটি ১১ নম্বর পূর্ণিমা। বছরের শেষ দুটি পূর্ণিমা ‘সুপারমুন’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে, যেখানে চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি এসে স্বাভাবিকের চেয়ে আরও বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে।