News update
  • PM releases fish fry into Brahmaputra in Kishoreganj     |     
  • Miraz puts Bangladesh within sight of victory as Australia stutter     |     
  • Scale 7.7 quake off Indonesia coast, kills at least 47, topples homes     |     
  • PM for swift steps to restore energy supply, patience to resolve crisis     |     
  • 7 crore people to get mobile internet access within 6-12 months     |     

চলতি মাসে দেশে আসছে ৩ লাখ ৩৬ হাজার টন ডিজেল

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক Nation 2026-03-11, 11:51am

gertertyrty-965752617f983eed815ac49ee1bc72581773208292.jpg




চলতি মার্চ মাসে দেশে যুক্ত হবে তিন লাখ ৩৬ হাজার ৩৭৯ মেট্রিক টন ডিজেল। এতে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। এ জ্বালানি সরবরাহ করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে বিকল্প দেশ থেকে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১১টি চালানে আসবে দুই লাখ ৮১ হাজার ৩৭৯ মেট্রিক টন ডিজেল। বাকি ৫৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাওয়া যাবে দেশের শোধনাগার ও পেট্রোলিয়াম প্ল্যান্ট থেকে।

বর্তমানে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) নিয়ে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের জন্য নির্ধারিত একটি মাদার ভেসেল সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে। এমটি নর্ডিক পলাঙ নামের জাহাজটি গত ২ মার্চ সকালে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের আগেই জাহাজটিতে ক্রুড অয়েল লোড করা হলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেটি এখনও বন্দরে নোঙর করে আছে।

বিপিসি সূত্র জানা গেছে, চলতি মার্চ মাসে ১১টি চালানে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা ডিজেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে গত ৩ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ৩২ হাজার ১৬৯ দশমিক ০৭ টন ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ। জাহাজটি ডিজেল খালাস সম্পন্ন করেছে।

এ ছাড়াও সোমবার (৯ মার্চ) ২৭ হাজার ২০৪ দশমিক ৬৬ টন ডিজেল নিয়ে বন্দরের জলসীমায় প্রবেশ করে ‘শিউ চি’ নামের ট্যাংকার জাহাজ। সিঙ্গাপুর থেকে এসব ডিজেল আমদানি করা হয়েছে।

শিপিং এজেন্টদের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতেই ‘লিয়ান হুয়ান হু’ নামের একটি ট্যাংকার জাহাজ ২৭ হাজার ৫ দশমিক ৪৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছাতে পারে। এ ছাড়া ১২ মার্চ ‘এসপিটি থেমিস’ নামের আরেকটি জাহাজ ৩০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া ‘র‍্যাফেলস সামুরাই’ ও ‘চাং হাং হং তু’ নামের আরও দুটি ট্যাংকার ১৩ মার্চ বন্দরে পৌঁছাতে পারে। প্রতিটি জাহাজেই প্রায় ৩০ হাজার টন করে ডিজেল রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিপিসি সূত্র আরও জানা গেছে, চলতি মার্চ মাসের মধ্যে ২৪ মার্চ ৩০ হাজার মেট্রিক টন, ২৫ মার্চ ৩০ হাজার মেট্রিক টন ও ১০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ও ২৭ মার্চ ৩০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আরও জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে।

বিপিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মার্চ মাসে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড এবং দেশে স্থাপিত অন্য পেট্রোলিয়াম প্ল্যান্ট থেকে প্রায় ৫৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাওয়া যাবে।

চারটি ট্যাংকারের স্থানীয় এজেন্ট প্রতিষ্ঠান প্রাইড শিপিং লাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী এক সপ্তাহের মধ্যেই সব জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা। এরপর ধাপে ধাপে জ্বালানি খালাসের কাজ শুরু হবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, দেশে ব্যবহৃত মোট জ্বালানির প্রায় ৭০ শতাংশই ডিজেল। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে, যার বড় অংশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও গতিশীল করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সব চাহিদা সমন্বিতভাবে নিরূপণ এবং জ্বালানিবাহী জাহাজকে চট্টগ্রাম বন্দরে বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। বন্দরের জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই চেইন ও বাংকারিং সুনিশ্চিত করাসহ অপারেশনাল কার্যকারিতা এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সজাগ ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বন্দর চেয়ারম্যান আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে আসা অধিকাংশ জাহাজের জ্বালানি সরবরাহের প্রধান উৎস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া হওয়ায় বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব এখানে তুলনামূলক কম।