News update
  • Shahabuddin Set to Leave Bangabhaban, Hafiz Takes Charge     |     
  • Rail Expansion Planned for 16 Unconnected Districts     |     
  • Rescued elephant Badsha Bahadur gets a second chance to survive      |     
  • Next President Likely From BNP Standing Committee     |     
  • Resignation of President Mohammed Shahabuddin for ill health     |     

কারামুক্ত হলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সেলিব্রিটি 2026-07-26, 7:12am

img_20260726_070923-7a66c178a1b87cedf1f906ebd135e8741785028329.jpg




জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক তিনটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর গোপনীয়তার সঙ্গে কারামুক্ত হয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কারা কর্তৃপক্ষ তাকে মুক্তি দেয়। তবে তার বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি মামলায় এজাহারে নাম থাকা সত্ত্বেও সেসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি, যা নিয়ে আইনি মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

জানা গেছে, তৌহিদ আফ্রিদির বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ওয়ারী থানার একটি ছাড়া বাকি সাতটি মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি। তবে ওয়ারী থানার প্রতারণা মামলা এবং যাত্রাবাড়ী ও বাড্ডা থানার দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও, রামপুরা থানার একটি হত্যা মামলা এবং বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী, মোহাম্মদপুর ও বনানী থানার চারটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।

গত বছরের ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করে। এরপর প্রায় ১১ মাস কারাগারে ছিলেন তিনি। প্রথমে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে বাড্ডা থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলার তদন্ত শেষে তার অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে ওয়ারী থানার প্রতারণা মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

হত্যা ও হত্যাচেষ্টার দুটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান তৌহিদ আফ্রিদি। পরে আপিল বিভাগ সেই জামিন বহাল রাখে। সর্বশেষ ২১ জুলাই ওয়ারী থানার প্রতারণা মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। তার আইনজীবী জানান, সব মামলায় জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা ছিল না।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, কারাগারে থাকা অবস্থায়ও যদি এজাহারভুক্ত অন্য মামলাগুলোতে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো না হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।

অন্যদিকে, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, কোনো মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো বাধ্যতামূলক নয়। তদন্তের প্রয়োজন অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত পুলিশ নেয়। তার মতে, আসামি কারামুক্ত হলেও মামলার তদন্ত কার্যক্রমে কোনো সমস্যা হবে না।

কারা অধিদপ্তরের মিডিয়া উইং জানিয়েছে, আদালতের দেওয়া জামিনের নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নিয়ম মেনেই বৃহস্পতিবার তৌহিদ আফ্রিদিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।