News update
  • US seeks to befriend Jamaat-e-Islami, reports Washington Post     |     
  • Tarique urges people to help restart democracy, elected reps solve problems     |     
  • $1 for Nature, $30 for Its Destruction: UN Warns     |     
  • Madhyanagar Upazila in limbo four years after formation     |     
  • BNP leader injured in gun shot in Keraniganj     |     

পাকিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে ভয়াবহ বোমা হামলা, নিহত ৭

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-24, 6:01pm

erttertr-b2b54727b498d19acc9b543f09e76b101769256082.jpg




পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ডেরা ইসমাইল খান জেলায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার(২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শান্তি কমিটির সদস্যদের ব্যবহৃত একটি ভবন লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার পরপরই তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হলেও পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজন মারা যান। শান্তি কমিটিগুলো মূলত স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে গঠিত যা পাকিস্তান সরকারের সমর্থনে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। 

এই রক্তক্ষয়ী হামলাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আফগান সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বৈরী শীতের মধ্যেও হাজার হাজার মানুষকে নিরাপত্তার স্বার্থে ঘরবাড়ি ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার না করলেও সন্দেহের তীর তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপির দিকে। সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে শান্তি কমিটির সদস্যদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে টিটিপির তৎপরতা লক্ষ্যণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে, আফগান তালেবান টিটিপি যোদ্ধাদের তাদের মাটিতে আশ্রয় ও হামলার পরিকল্পনা করার সুযোগ দিচ্ছে। তবে কাবুল বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছে। মূলত পাকিস্তানে কঠোর ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে টিটিপি গত কয়েক বছরে দেশজুড়ে অসংখ্য প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।

সীমান্তবর্তী এই সংঘাতময় অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা এখন চরম হুমকির মুখে। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে রূপ নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়েছে তারা অপরাধীদের শনাক্ত করতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।