News update
  • 6 Die in Lightning Strike at Pabna Wetland     |     
  • 2 children die with measles symptoms     |     
  • Bangladesh Gets Three More Years to Prepare for LDC Graduation     |     
  • Dhaka ranks 5th among cities with worst air quality this morning     |     
  • Netanyahu’s Bloc Loses Majority as Party Claims Vote Stolen     |     

শান্তি আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে কাতারের প্রতিনিধিদল তেহরানে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-10-30, 5:32pm

kaataar_prtinidhidl_thaamb-f164d4a06bc007ac15bfa287caac2d8f1793359924.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) কাতারের একটি প্রতিনিধিদল ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য তেহরানে পৌঁছেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এএফপির।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা’র মতে, কাতারের প্রধানমন্ত্রীর একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার নেতৃত্বে আসা এই প্রতিনিধিদলটি ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং সেই সঙ্গে আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে এসেছে।

আট মাস আগে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে নতুন করে সংঘাত ছড়ানোর তীব্র আশঙ্কার মধ্যে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেশ কয়েকটি দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা তেহরান সফর করেছেন।

ইরানি সংবাদ মাধ্যমগুলো মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের কাছ থেকে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মহসেন রেজাইয়ের উদ্দেশ্যে পাঠানো একটি চিঠি পাওয়ার খবর প্রকাশের পরদিনই কাতারি প্রতিনিধিদলের এই সফরের বিষয়টি সামনে এলো।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, চিঠিটি কোনো সুনির্দিষ্ট শান্তি চুক্তির শর্তাবলীর চেয়ে বরং সম্ভাব্য আলোচনার রূপরেখা বা কাঠামোর ওপর আলোকপাত করেছে।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, জেডি ভ্যান্স গত সপ্তাহে কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠিয়ে এই যোগাযোগের উদ্যোগ নেন, যা রোববার জেনারেল মহসেন রেজাইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর কাতার ও পাকিস্তান শান্তি আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টায় মধ্যস্থতা করে আসছে। ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মতে, গত রোববারও একটি কাতারি প্রতিনিধিদল তেহরানে উপস্থিত ছিল।

মঙ্গলবার মস্কোয় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের ফাঁকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান চলমান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করেন।

চলতি সপ্তাহে পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও আলোচনার জন্য তেহরানে পৌঁছান। উল্লেখ্য, এই তিন দেশ গত আগস্টে মক্কায় একটি প্রতিরক্ষা জোটে স্বাক্ষর করেছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় তেহরানে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা নিহত হলে মধ্যপ্রাচ্যে এই যুদ্ধের সূচনা হয়।

ইরান এর জবাবে ইসরায়েল এবং পুরো অঞ্চল জুড়ে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়, পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়। প্রণালিটি বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বহনকারী একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।

বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, যুদ্ধ বন্ধ করা এবং জলপথটি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য তেহরান উভয় মধ্যস্থতাকারী দেশ—কাতার ও পাকিস্তানের সাথে একটি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সমুদ্রবন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে, যা তেলের রপ্তানি ও বাণিজ্য পরিচালনার ক্ষেত্রে তেহরানের সক্ষমতাকে আরও সীমাবদ্ধ করে তুলেছে।

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার জন্য ওয়াশিংটনকে তেহরানের নির্ধারিত সাতটি শর্ত পূরণের বিষয়ে জোর দিচ্ছে ইরান; যার মধ্যে রয়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে যুদ্ধবিরতি, বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা, তেল খাতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মার্কিন নৌ-অবরোধের অবসান ঘটানো।