News update
  • BNP finalizes 36 nominations for women’s seats in Parliament     |     
  • Alarming trans-fat levels in food despite regulations: BFSA      |     
  • BD, EU to sign Partnership Coop Agreement (PCA) Monday     |     
  • Missed opportunities, institutional failures mark BD reforms     |     
  • Telcos Seek Priority Power, Fuel to Avert Outages     |     

ভূগর্ভস্থে আটকে পড়া ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক উদ্ধার করছে ইরান!

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-04-15, 6:54am

ertrewrewrwr-fb9e46b4e9af06c02d9b4ffcea61af5f1776214490.jpg

গত ১০ এপ্রিল ইরানের খোমেইনের কাছে একটি মিসাইল ঘাঁটির স্যাটেলাইট চিত্র। ছবি: সংগৃহীত



পাঁচ সপ্তাহের বেশি রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে ইসলামাবাদে দুই পক্ষের দীর্ঘ বৈঠক হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি। ফলে আলোচনার পাশাপাশি তেহরান ও ওয়াশিংটন আবারও যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে ।

এর মধ্যেই ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি সচল করতে কাজ শুরু করেছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির সময় এসব ঘাঁটির প্রবেশপথে জমে থাকা ধ্বংসাবশেষ সরানো হচ্ছে।

স্যাটেলাইট ছবির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরান ভূগর্ভস্থ টানেলের মুখে আটকে থাকা ধ্বংসস্তূপ অপসারণে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে। ফ্রন্ট-এন্ড লোডার দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে পাশের ডাম্প ট্রাকে তোলা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে সিএনএনের এক অনুসন্ধানে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এসব ঘাঁটির প্রবেশপথে হামলা চালিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা আটকে দেয়ার চেষ্টা করেছিল।

 মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে বলা হয়, প্রায় ৪০ দিনের সংঘাতের পরও ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার অক্ষত ছিল, যেগুলোর অনেকই হামলার কারণে ভূগর্ভে চাপা পড়ে থাকতে পারে। 

জেমস মার্টিন সেন্টার ফর ননপ্রোলিফারেশন স্টাডিজের গবেষক স্যাম লায়ার বলেন, যুদ্ধবিরতির সময় এ ধরনের পুনরুদ্ধার কাজ প্রত্যাশিত।

 তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি মানে হলো প্রতিপক্ষ তার সামরিক সক্ষমতার কিছু অংশ আবার গড়ে তুলবে, যা আপনি ধ্বংস করতে প্রচুর সময়, অর্থ ও প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন।’

 তিনি আরও বলেন, ঘাঁটিগুলো কার্যকর রাখার জন্য ইরানের পরিকল্পনারই একটি অংশ। এই ‘মিসাইল সিটি’ ধারণার মূল কৌশলই হলো—প্রথম আঘাত সহ্য করা, তারপর ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে বের হয়ে এসে আবার নতুন করে হামলা চালানো।

চলমান সংঘাতের স্থায়ী অবসানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে গত শনিবার (১১ এপ্রিল) মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ অন্যদের মধ্যে এক দীর্ঘ বৈঠক হয়। তবে সেই আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছিল।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আগামী দুই দিনের মধ্যেই পাকিস্তানে আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

আগামী সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যদি দ্বিতীয় দফায় সরাসরি আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়, তবে সেখানেও মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

আলোচনার বিষয়ে অবগত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনারও এই সম্ভাব্য বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন।

অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার বৈঠকের বিষয়ে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জানা যাচ্ছে, বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে।