News update
  • Uncertainty over possible US-Iran talks as Trump extends ceasefire     |     
  • Bangladesh eyes broader bilateral engagements with African nations     |     
  • Trump Extends Iran Ceasefire, Seeks Time for Talks     |     
  • SSC and Equivalent Exams Begin Nationwide     |     
  • US, Iran Signal War Readiness as Talks Hang in Balance     |     

ট্রাম্পকে জ্বালানির বাড়তি খরচের বিল পাঠালেন নিউজিল্যান্ডের চিকিৎসক!

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-04-04, 8:04am

img_20260404_080026-8e327c8ffd1183312844ccd09f76dce81775268291.jpg




নিউজিল্যান্ডের এক চিকিৎসক তার ক্লিনিকের জ্বালানি ব্যয়ের বিল যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে পাঠিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তার দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তের কারণেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। তাই এই অতিরিক্ত খরচের দায়ও যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে।

ওয়েলিংটনের অনসলো মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. শেন ডানফি কর্মীদের যাতায়াত খরচ মেটাতে দেওয়া ২ হাজার ৭৯০ দশমিক ৯৫ নিউজিল্যান্ড ডলার মূল্যের পেট্রোল ভাউচারের অর্থ ফেরত চেয়ে মার্কিন দূতাবাসে আনুষ্ঠানিক বিল পাঠান। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় দুই লাখ টাকার কাছাকাছি।

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান হামলার পর হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়ায় জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে তার কর্মীরা ব্যক্তিগত গাড়ির জ্বালানি ব্যয় বহন করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

তিনি লিখেন, নিয়োগকর্তা হিসেবে আমরা আমাদের কর্মীদের চাপ কিছুটা কমাতে পেট্রোল ভাউচার দিয়েছি, যাতে তারা কর্মস্থলে আসতে পারেন এবং পরিবারের ভরণপোষণ চালাতে পারেন।

ডা. শেন ডানফির দাবি, ওয়েলিংটনের উপকণ্ঠে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বসবাসকারী কয়েকজন কর্মীর সাপ্তাহিক জ্বালানি ব্যয় অতিরিক্ত ১০০ নিউজিল্যান্ড ডলার পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এ কারণে তিনি মার্কিন দূতাবাসকে বিল পাঠিয়ে বলেন, এই পরিস্থিতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী, তাই তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।

চিঠির শেষে তিনি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন, সাত দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধ প্রত্যাশিত।

যদিও তিনি নিজেও মনে করেন না যে দূতাবাস বাস্তবে এই বিল পরিশোধ করবে, তবু বিষয়টিকে তিনি নীতিগত অবস্থান হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, আপনি যদি কিছু ভাঙেন, তবে সেটি ঠিক করার দায়িত্বও আপনার।

এদিকে জ্বালানি অনুসন্ধান অ্যাপ গ্যাসপির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে নিউজিল্যান্ডে পেট্রোলের দাম ৩৫ শতাংশের বেশি এবং ডিজেলের দাম ৮৭ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। অনেক জায়গায় প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ৩ দশমিক ৬৩ নিউজিল্যান্ড ডলার পর্যন্ত উঠেছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের সরকার নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মজীবী মানুষের জন্য সাপ্তাহিক ৫০ নিউজিল্যান্ড ডলার সহায়তা ভাতা ঘোষণা করেছে।

অর্থমন্ত্রী নিকোলা উইলিস বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কায় মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান