
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজার নামাজ সোমবার (১ জুন) বাদ মাগরিব রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।
সেখানে জানাজা শেষে মরদেহ রাখা হবে স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে। এরপর মঙ্গলবার (২ জুন) হেলিকপ্টার বা মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যানে ভোলায় নেয়া হবে। সেখানে ভোলার দক্ষিণ গঙ্গাপুর এলাকার কোরালিয়া গ্রামে মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে। এর আগে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে ভোলা সরকারি হাই স্কুল মাঠে।
রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মারা যান ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
তোফায়েল আহমেদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন বর্ষীয়ান এ নেতা।
ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম।
তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে পরিচিতি পান তোফায়েল আহমেদ।
এরপর ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদ। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন বর্ষীয়ান এ নেতা।