News update
  • Dhaka Ranks Fifth Among World’s Most Polluted Cities on Tuesday      |     
  • Protests Disrupt Production at 681 Factories Across Bangladesh     |     
  • LPG Price Hike Fuels Fears of Tk 2,500 Cylinder Cost     |     
  • Consumers face fresh burden as 12kg LPG cylinder price rises to Tk 2,060     |     
  • Cabinet Approves 29 Public Holidays for Bangladesh in 2027     |     

শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সামাজিকমাধ্যমে গুজব, ফ্যাক্টচেকে ধরা পড়ছে অপতথ্য

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-11-03, 8:03am

missleading-info-6ae8db657c8b2-96c7b2a34cb65b2600b12eb443b432a91793671423.jpg




ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনকে ঘিরে সামাজিকমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে নানা ধরনের অপতথ্য ও গুজব। শ্রমিক নিহত, পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আহত এবং আন্দোলনরত শ্রমিককে হত্যার মতো দাবি করে প্রচারিত একাধিক পোস্ট ও ফটোকার্ডের সত্যতা যাচাই করে সেগুলোকে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর হিসেবে শনাক্ত করেছে তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানারের এক ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, ফেসবুকের ‘শিরীন শারমীন চৌধুরী’ নামের একটি গ্রুপে এম মাকসুদুর রহমান নামের এক ব্যক্তির পোস্টে দাবি করা হয়, শ্রমিক আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে দুজন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। পোস্টটিতে শ্রমজীবী মানুষের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণের নিন্দা ও প্রতিবাদও জানানো হয়।

তবে রিউমার স্ক্যানারের যাচাইয়ে দেখা যায়, পোস্টে ব্যবহৃত ভিডিওটি চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একটি ফ্যাক্টচেকের ভিডিও। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছিল। অর্থাৎ, শ্রমিক আন্দোলনে দুজন নিহত হওয়ার দাবির পক্ষে ভিডিওটি কোনো প্রমাণ নয়।

রিউমার স্ক্যানারের আরেকটি ফ্যাক্টচেকে গাজীপুরে পুলিশের গুলিতে এক স্কুলশিক্ষার্থী আহত হওয়ার দাবিকে মিথ্যা বলে শনাক্ত করা হয়েছে। ‘এএলবিডি মিডিয়া সেল’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার করা ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের সময় বাসায় ফেরার পথে পুলিশের গুলিতে মৃত্যুশয্যায় রয়েছে বিকেএসপি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী।

রিউমার স্ক্যানারের তথ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষার্থীর নাম নুরুজ্জামান সামি। প্রকৃতপক্ষে, স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পথে ইটের আঘাতে আহত হয়েছিল সে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটি বর্তমানে বাসায় রয়েছে বলে তার বাবা রিউমার স্ক্যানারকে নিশ্চিত করেছেন। একই ঘটনা নিয়ে ফ্যাক্টচেক করেছে আরেক তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান দ্য ডিসেন্ট।

এদিকে, দ্য ডিসেন্টের আরেকটি ফ্যাক্টচেকে ‘দৈনিক সংবাদ সূত্র’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে ছড়ানো একটি ফটোকার্ডের তথ্যও যাচাই করা হয়েছে। ‘গাজীপুরে আন্দোলনরত গার্মেন্টস শ্রমিককে নির্মমভাবে হত্যা করেছে বিএনপি, জামায়াতের ক্যাডার বাহিনী’— এমন শিরোনামে প্রচারিত ফটোকার্ডটি মূলত অন্য একটি ঘটনার বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফলে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সামাজিকমাধ্যমে ছড়ানো এসব দাবি ও ছবি-ভিডিওর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, পুরোনো বা ভিন্ন ঘটনার ছবি-ভিডিও এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি উপকরণ ব্যবহার করে আন্দোলনসংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।