
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুতের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধার মেয়াদ ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট পেশকালে এই প্রস্তাব করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে বলা আছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আমদানিকৃত কয়লার ওপর বিদ্যমান কর ও শুল্ক সুবিধা আরও পাঁচ বছর অব্যাহত থাকবে। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বিদ্যুতের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করবে এবং শিল্প ও গৃহস্থালি পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অংকের দিক থেকে যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড। বাজেটে সরকারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। আগামী ১৫ জুন চলতি অর্থবছরের সম্পূক বাজেট পাস হবে। এরপর ১৬ জুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে এবং ৩০ জুন বাজেট পাস করতে হবে।