News update
  • Fertiliser Crisis Risks Global Food Supply: Yara Chief     |     
  • Tarique Warns of Plots Against Democratic Progress     |     
  • PM Calls for Unity, Warns Against Parliament Failure     |     
  • Foreign Debt Repayment Tops $3.5b in Nine Months     |     
  • Biman signs $3.7b Boeing deal for 14 aircraft fleet     |     

বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক : দূতাবাস

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-05-01, 8:27pm

rghrtyerterte-c195428c111e38fc06ec9bb3bdc222dc1777645663.jpg

রাজধানীর একটি হোটেলে দুপক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ছবি : মার্কিন দূতাবাস



১৪টি উড়োজাহাজ নিজেদের বহরে যুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রয় চুক্তি চূড়ান্ত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলে জানিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।

আজ শুক্রবার (১ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে মার্কিন দূতাবাস একথা জানায়।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ১৪টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার এই চুক্তি বিমানের বাণিজ্যিক অগ্রগতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আধুনিক ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী এই উড়োজাহাজগুলো পরিচালন ব্যয় কমাবে, বিমানকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশের বৈশ্বিক সংযোগ আরও সম্প্রসারিত করবে। 

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে দুপক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। বিমানের পক্ষ থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বিমানের এমডি ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি।

উড়োজাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ১০টি ওয়াইড-বডি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এয়ারক্রাফ্ট এবং চারটি ন্যারো-বডি ৭৩৭ ম্যাক্স এয়ারক্রাফ্ট।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সংযোগ জোরদার এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে এবং বর্তমান সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ রূপকল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই চুক্তি করা হয়েছে।

স্বাক্ষরিত চুক্তি নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এই নতুন উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহর আধুনিকীকরণ, অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক রুট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়ক হবে যার মাধ্যমে বৈশ্বিক এভিয়েশন মার্কেটে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

এই চুক্তির মাধ্যমে অ্যাভিয়েশন খাতের বাইরে দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রসার এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর ও দক্ষ জনবল উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন উড়োজাহাজগুলো সংযোজনের ফলে যাত্রীদের জন্য আরও নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আনুমানিক ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলারের এই বিনিয়োগ দেশের বিমান খাতে অন্যতম বৃহৎ ক্রয়চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে দীর্ঘ দূরত্বের রুটে সক্ষমতা বাড়বে এবং আঞ্চলিক ফ্লাইট পরিচালনা আরও শক্তিশালী হবে। চুক্তি অনুযায়ী প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালের অক্টোবর মাসে সরবরাহ করা হতে পারে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ২০৩৫ সালের মধ্যে বাকী এয়ারক্রাফ্টগুলোর হস্তান্তর সম্পন্ন হবে।

অনুষ্ঠানে বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ. হোসেন এবং ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনও বক্তব্য দেন।