News update
  • Govt Earns Public Trust in First Six Months: Mahdi Amin     |     
  • Myanmar Recognises 309,000 Rohingyas as Former Rakhine Residents     |     
  • Bangladesh Unaware of Hasina’s Status in India: Chief Prosecutor     |     
  • Rooppur to Supply 300MW to National Grid in September     |     
  • Iran Announces $30,000 Reward for Capturing US Troops     |     

কুরাসাওকে হারিয়ে প্রথমবার নকআউটে আইভরি কোস্ট

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ফুটবল 2026-06-26, 7:04am

aaibhri_kostt_2-0c728fd1b81a5c5e3e7407837d3b7fb31782435893.jpg




দুই দলের জন্যই লক্ষ্যটা ছিল অভিন্ন। বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই কুরাসাওয়ের ওপর চাপ তৈরি করল আইভরি কোস্ট। জমাট রক্ষণে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেনি কুরাসাও। দুই অর্ধে দু’বার বল জালে জড়িয়ে সহজ জয়ে প্রথমবার নকআউটের টিকিট কাটল আইভরি কোস্ট।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল কোস্টারিকা আর কুরাসাও। দারুণ পারফরম্যান্স শেষে কুরাসাওকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আইভরি কোস্ট।

গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে ২ জয় আর এক হারে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘ই’ গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে নকআউটে কোয়ালিফাই করল আইভরি কোস্ট। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় গ্রুপ সেরা হয়ে নকআউটে যাচ্ছে জার্মানি।

অন্যদিকে, শেষ ম্যাচে জার্মানিকে হারানো ইকুয়েডর তিন ম্যাচে সমান একটি করে জয়, পরাজয় আর ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। সেরা আট ‘তৃতীয় স্থান’ দল হিসেবে নকআউটে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে ইকুয়েডর।। আর এক পয়েন্ট নিয়ে বিদায় নিল কুরাসাও।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখে আইভরি কোস্ট। ৬২ শতাংশ বলের দখল, ৫৪৯টি পাস এবং ৮৯ শতাংশ সফল পাসিংয়ে পুরো ম্যাচেই মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের হাতে। বিপরীতে কুরাসাও বলের দখল পেয়েছে মাত্র ৩৮ শতাংশ সময়।

প্রথম গোলটি আসে ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই। কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে সেই সুযোগ লুফে নেন পেপে। ডান দিক দিয়ে গড়ে ওঠা আক্রমণে বক্সের ভেতর থেকে নিখুঁত শটে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। শুরুতেই গোল পেয়ে ম্যাচের গতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় আইভরি কোস্ট।

গোল হজমের পর কুরাসাও কয়েকবার পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করে। বিশেষ করে জুনিনহো বাকুনা ও তাহিথ চংয়ের মাধ্যমে ডান দিক থেকে আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা দেখা যায়। ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে তারা কয়েকটি সম্ভাবনাময় আক্রমণ তুললেও শেষ মুহূর্তে আইভরি কোস্টের রক্ষণভাগ সেগুলো ভেস্তে দেয়।

দ্বিতীয়ার্ধেও ছিল একই চিত্র। কুরাসাও আক্রমণের সংখ্যা বাড়ায়, ম্যাচে মোট ১০টি শট নেয় এবং ৪টি কর্নার আদায় করে। তবে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। অন্যদিকে, আইভরি কোস্ট তুলনামূলক কম শট নিলেও আক্রমণে ছিল অনেক বেশি কার্যকর।

ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। মাঝমাঠ থেকে ইব্রাহিম সাঙ্গারের বাড়ানো পাস ধরে আবারও গোল করেন পেপে। দ্রুতগতির এই আক্রমণে কুরাসাওয়ের রক্ষণকে ছিন্নভিন্ন করে সহজ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।

পরিসংখ্যানেও ম্যাচে আইভরি কোস্টের আধিপত্য স্পষ্ট। দুই দলই তিনটি করে শট লক্ষ্যে রাখতে পারলেও বলের নিয়ন্ত্রণ, পাসিং, কর্নার আদায় এবং আক্রমণ গড়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।