News update
  • 11-Year Run of Record Global Heat Continues: UN Agency     |     
  • Gaza Ceasefire Not Enough as Children Continue to Die     |     
  • Bangladesh Sets Guinness Record With 54 Flags Aloft     |     
  • Gambia Tells UN Court Myanmar Turned Rohingya Lives Hell     |     
  • U.S. Embassy Dhaka Welcomes Ambassador-Designate Brent T. Christensen     |     

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী কর্মীদের জন্য নতুন নীতিমালা ঘোষণা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2026-01-14, 8:26pm

retwerwerq-0331ffdd18b9d2be6693fb9f4f47227f1768400766.jpg




মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রবাসী কর্মীদের জন্য নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে, যা আগামী ১ জুন থেকে কার্যকর হবে। নতুন এই নিয়মে ক্যাটাগরিভেদে পাসের মেয়াদ ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের মতে, আগে এই পাসের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ছিল না। নতুন সংস্কারের ফলে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নে আরও সুসংগতভাবে অবদান রাখতে পারবেন এবং নিয়োগকর্তারা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করার সুযোগ পাবেন।

নতুন এই নীতিমালার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো স্থানীয় মালয়েশিয়ানদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। সরকার জানিয়েছে, এই সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নিয়োগকর্তাদের জন্য একটি গাইড হিসেবে কাজ করবে। যাতে তারা প্রবাসীদের স্থলে ধীরে ধীরে স্থানীয় দক্ষ জনবলকে স্থলাভিষিক্ত করার জন্য ‘সাকসেশন প্ল্যান’ বা উত্তরাধিকার পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারেন। বিশেষ করে প্রফেশনাল দ্বিতীয় ও তৃতীয় ক্যাটাগরির পাসের ক্ষেত্রে স্থানীয়দের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এই পরিবর্তনের আওতায় প্রবাসী কর্মীদের ন্যূনতম বেতনের সীমাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ক্যাটাগরি-১ এর ক্ষেত্রে ন্যূনতম বেতন ১০ হাজার রিঙ্গিত থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার রিঙ্গিত করা হয়েছে এবং এর মেয়াদ হবে ১০ বছর। ক্যাটাগরি-২ এর বেতন ১০ হাজার থেকে ১৯ হাজার ৯৯৯ রিঙ্গিত এবং ক্যাটাগরি-৩ এর ক্ষেত্রে ৫ হাজার থেকে ৯ হাজার ৯৯৯ রিঙ্গিত নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এই বর্ধিত বেতন কাঠামো এবং মেয়াদের ফলে ব্যবসার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি স্থানীয় মানবসম্পদ উন্নয়নে গতি বাড়বে বলে আশা করছে সরকার।

পাসধারী সব প্রবাসী তাদের পরিবার বা নির্ভরশীলদের সঙ্গে রাখার অনুমতি পাবেন। ১ জুন থেকে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের আগে সরকার শিল্প মালিক ও বিভিন্ন অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় করবে যাতে এই রূপান্তর প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। 

সরকারের লক্ষ্য হলো জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং স্থানীয় দক্ষ জনশক্তির দীর্ঘমেয়াদী বিকাশ নিশ্চিত করা।