News update
  • BSF men flee leaving behind 2 shotguns, walkie-talkie      |     
  • Bhutan King makes brief stopover in Dhaka, meets President     |     
  • Eid-e-Miladunnabi being observed today     |     
  • Dhaka ranks 48th in global air quality ranking     |     
  • Dhaka records moderate air quality Wednesday morning      |     

এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-08-26, 9:08am

1787712098-e3d7040a7d989b207d46300c6c5e4f8c1787713779.jpg




সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করেছে রাজধানীর গুলশান থানা পুলিশ। ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে করা একটি প্রতারণার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে আটটার দিকে গুলশানের অ্যারাবিকা রেস্টুরেন্ট থেকে বিদিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গুলশান থানায় একটি প্রতারণা মামলা হয়। মামলার বিচার শেষে বিদিশা সিদ্দিকের দুই বছরের সাজা হয়। এ মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক মামলায় গত ২০ মে বিদিশা সিদ্দিককে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম ওই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিদিশাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ এনে ২০০৮ সালে গুলশান থানায় এ মামলা করেছিলেন মোশাররফ হোসেন সিকদার নামের এক ব্যবসায়ী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মোশাররফ হোসেনের বারিধারায় একটি ফ্ল্যাট কেনার প্রয়োজন ছিল। লোকজনের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা ২০০১ সালের ১ জুলাই মোশাররফকে প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট দেখান এবং বিক্রির প্রস্তাব দেন। পরে ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়। ১০ জুলাই মোশাররফ হোসেনকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন বিদিশা। তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। বাদী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করেন। পরে উভয়ের মধ্যে বায়নানামা সম্পাদিত হয়।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যাত হয়।

বাদী মোশাররফ হোসেনের অভিযোগ করেন, বিদিশা বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই বুঝিয়ে দেননি, বরং সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছেন।