
দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেলো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আরও একটি আসর। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো ১২তম বিপিএলের। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে এদিন চট্টগ্রামকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে রাজশাহী।
দলগতভাবে যে সবচেয়ে সফলতম দল রাজশাহী, সে বিষয়ে আর কোনো সংশয় থাকার কথা নয়। তবে শিরোপা জিতলেও বিপিএলের এবারের আসরে শীর্ষ ব্যাটার-বোলার হিসেবে রাজশাহীর কেউই নাম লেখাতে পারেননি।
বিপিএলের এবারের আসরের সেরা ব্যাটার হয়েছেন সিলেট টাইটান্সের পারভেজ হোসেন ইমন। ১২ ম্যাচে ৩৯৫ রান করেছেন এই ব্যাটার। নামের পাশে রয়েছে তিনটি হাফ-সেঞ্চুরি।
রংপুর রাইডার্সের তাওহীদ হৃদয় ১১ ম্যাচে ৩৮২ রান করে শীর্ষ ব্যাটারদের তালিকায় আছেন দুই নম্বরে। তার সর্বোচ্চ রান ১০৯। এক সেঞ্চুরির সঙ্গে রয়েছে তিনটি হাফ-সেঞ্চুরি। রাজশাহীর তানজিদ হাসান তামিম ১৩ ম্যাচে ৩৫৬ রান করে এই তালিকায় আছেন কিন নম্বরে। এক ইনিংসে তার সর্বোচ্চ রান ১০০। এক সেঞ্চুরির সঙ্গে রয়েছে একটি ফিফটি। ১৩ ম্যাচে ৩৫৫ রান করে চতুর্থ শীর্ষ ব্যাটার রাজশাহীর নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনিও সেঞ্চুরি করেছেন, এছাড়া একটি ফিফটি রয়েছে তার। সর্বোচ্চ রান ১০১। রংপুরের ডেভিড মালান ৯ ম্যাচে ৩০০ রান করে পঞ্চম সেরা ব্যাটার, সর্বোচ্চ ৭৮ রান এবং মোট ফিফটি ৩টি।
এবারের বিপিএলে হয়েছে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড। রানার্সআপ দল চট্টগ্রাম রয়্যালসের শরিফুল ইসলাম ১২ ম্যাচে শিকার করেছেন ২৬ উইকেট। সেরা বোলিং ৯ রানে ৫ উইকেট। গত আসরে তাসকিন আহমেদের ২৫ উইকেটের রেকর্ড ছাপিয়ে গেছেন এই পেসার। সিলেটের নাসুম আহমেদ ১২ ম্যাচে নিয়েছেন ১৮ উইকেট। তার সেরা বোলিং ৭ রানে ৫ উইকেট।
উইকেট শিকারির তালিকায় তিনে আছেন রাজশাহীর রিপন মন্ডল। ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন এই বোলার। তার সেরা বোলিং ১৩ রানে ৪ উইকেট।
১০ ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়ে চতুর্থ সেরা বোলার নোয়াখালীর হাসান মাহমুদ। তার সেরা বোলিং ২৬ রানে ৪ উইকেট। রাজশাহীর বিনুরা ফার্নান্দো ১১ ম্যাচে নিয়েছেন ১৬ উইকেট। তার সেরা বোলিং ১৯ রানে ৪ উইকেট। মোস্তাফিজুর রহমান রংপুরের হয়ে ১০ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ১৬ উইকেট।
১৫ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে পঞ্চম সেরা মেহেদী হাসান ও আমের জামাল। চট্টগ্রামের দুই বোলারের সেরা বোলিং যথাক্রমে ১২ রান দিয়ে তিনটি ও ৩৪ রানে চার উইকেট।
এছাড়া এবারের বিপিএলে সেরা ব্যক্তিগত ইনিংস হৃদয়ের। নোয়াখালীর বিপক্ষে ১০৯ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। সর্বোচ্চ ১৯ ছক্কা মেরেছেন সিলেটের পারভেজ হোসেন ইমন ও রাজশাহীর তানজিদ। এবার সেঞ্চুরি হয়েছে চারটি। হাসান ইসাখিল, হৃদয়, শান্ত ও তানজিদ একটি করে সেঞ্চুরি করেছেন।