News update
  • Bangladesh, EU Push for FTA, Investment Pact Talks     |     
  • Over 1.14cr workers sent to Middle East in 22 years     |     
  • BNP finalizes 36 nominations for women’s seats in Parliament     |     
  • Alarming trans-fat levels in food despite regulations: BFSA      |     
  • BD, EU to sign Partnership Coop Agreement (PCA) Monday     |     

ঢাকা মেডিকেলে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে কমিটি, জরুরি বিভাগ চালু

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক হাসপাতাল 2026-04-09, 7:25am

img_20260409_072334-631dcb2b4e9033152cb02490496b32681775697959.jpg




ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কমিটিকে আগমী ১১ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা চালুর ঘোষণা দেয়া হয়।

ঢামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন হাসপাতালের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। 

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ঢামেক হাসপাতালে প্রশাসনিক ব্লকে বৈঠক শেষে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় যারা দায়ি তাদের চিহ্নিত করতে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুই প্রশাসনের সদস্য ও পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি তদন্ত কমিটিতে থাকবেন। আগামী শনিবারের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে কমিটি।’

এদিকে, ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা চালু করারও ঘোষণা দেন হাসপাতালের পরিচালক।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী চিকিৎসার জন্য জরুরি বিভাগে আসেন। দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) লিখে দেন। তবে কাঙ্ক্ষিত ওষুধ সরকারিভাবে হাসপাতালে সরবারাহ না থাকায় ওই শিক্ষার্থীকে তা বাইরে থেকে কিনে আনার পরামর্শ দেয়া হয়।

এর কিছুক্ষণ পর ওই শিক্ষার্থী তার বেশ কয়েকজন সহপাঠীকে নিয়ে পুনরায় হাসপাতালে ফিরে আসেন এবং দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের অভিযোগ ছিল, চিকিৎসকের লিখে দেয়া ওষুধ বাইরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর চড়াও হলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং কয়েক দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতির ডাক দেন এবং নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ করে দেন। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা জরুরি রোগীরা চরম বিপাকে পড়েন। অনেক মুমূর্ষু রোগীকে চিকিৎসার অভাবে অ্যাম্বুলেন্সেই দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা যায়।