গাজার উত্তরাঞ্চলে বাস্তুচ্যুত পরিবারের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে ইসরাইলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে নারী এবং শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস-পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় একটি হাসপাতালের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, গাজা শহরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তুফাহ জেলার দার আল-আরকাম স্কুলে এ হামলা চালানো হয়। প্রাণহানির পাশাপাশি এতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
তবে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) গাজায় অন্তত তিনটি স্কুলে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। আর এতে প্রাণ গেছে কমপক্ষে ৩৩ জনের।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, শহরের ‘হামাস কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে থাকা সন্ত্রাসীদের’ ওপর হামলা চালিয়েছে তারা। তবে কোনো স্কুলের কথা উল্লেখ করেনি নেতানিয়াহু বাহিনী।
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বিশাল অংশ দখলের জন্য ইসরাইল তাদের স্থল আক্রমণ সম্প্রসারিত করার কথা বলার পর, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর আগে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় আরও ৯৭ জন নিহত হওয়ার খবর দেয়।
গাজার হামাস পরিচালিত সিভিল ডিফেন্স এজেন্সির মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেছেন, দার আল-আরকাম স্কুলে হামলায় নিহতদের মধ্যে শিশু এবং নারীরাও রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, ওই আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা গর্ভবতী এক নারী, তার স্বামী, বোন এবং তার তিন সন্তান এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
নিকটবর্তী আল-আহলি হাসপাতালের এক ভিডিওতে দেখা গেছে, গুরুতর আহত শিশুদের গাড়ি ও ট্রাকে করে সেখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, গাজা সিটির যে স্থানে তারা হামলা চালিয়েছে, সেখানে হামাস যোদ্ধারা ইসরাইলি বেসামরিক নাগরিক ও সেনাদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করেছিল।