News update
  • Borrowing from central bank ‘suicidal’ for economy: Dr. Fahmida     |     
  • Fuel Queues Ease As Supply Rises, Demand Falls     |     
  • PM says govt working to reopen closed factories     |     
  • 7-year Sukuk worth Tk 5,900cr planned for rural bridge project     |     
  • Unplanned bundhs worsen flooding, crop losses in Sunamganj haors     |     

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ ‘শেষ’ কথার মানে কি, যা বলছেন বিরোধীরা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-05-02, 1:21pm

rtyertwerwe-e7ab3a68ed27169008d9c0810577605b1777706499.jpg




মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেস নেতাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ ‘শেষ হয়েছে’। এর মানে হলো, কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার জন্য যে ৬০ দিনের সময়সীমা ছিল, সেটি আর প্রযোজ্য নয়।

শুক্রবার (১ মে) ছিল ৬০তম দিন, যেদিন ট্রাম্প কংগ্রেসকে জানান যে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর হামলা শুরু করেছে। ‘ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট অব ১৯৭৩’ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট জরুরি হুমকির জবাবে সেনা পাঠাতে পারেন, তবে ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয়।

কংগ্রেস নেতাদের কাছে পাঠানো চিঠিতে ট্রাম্প বলেন, তিনি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিলেন আমেরিকানদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেসকে এ বিষয়ে জানান।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ৭ এপ্রিল ২০২৬-এ আমি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির নির্দেশ দিই। পরে তা বাড়ানো হয়েছে। ৭ এপ্রিলের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো গোলাগুলি হয়নি। ২৮ ফেব্রুয়ারি যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল, তা এখন শেষ হয়েছে। 

এই চিঠির মাধ্যমে শুক্রবার তথা ১ মের মধ্যে যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন নেয়ার যে আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল তা কার্যত এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। কারণ অনেক রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা প্রেসিডেন্টের একক সিদ্ধান্তে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়ে আপত্তি তুলতে চাননি।

হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তিনি কংগ্রেসের অনুমোদন নেয়ার কোনো পরিকল্পনা করেননি। তার মতে, ‘আগে কখনও এটা নেয়া হয়নি’ এবং ওয়ারস পাওয়ার্স অ্যাক্ট ‘পুরোপুরি অসাংবিধানিক’।

এ বিষয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। অনেক আইন বিশেষজ্ঞ ও ডেমোক্র্যাট নেতারা বলছেন, প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করছে। ডেমোক্র্যাট সিনেট নেতা চাক শুমার এক এক্স পোস্টে বলেছেন, 

এটা বাজে কথা। এটি একটি অবৈধ যুদ্ধ, আর রিপাবলিকানরা চুপ থেকে এটিকে চালিয়ে যেতে দিচ্ছে। 

সিনেটের আরেক নেতা জিন শাহিন বলেন, ট্রাম্পের এই ঘোষণা বাস্তবতার সঙ্গে মিলছে না। কারণ এখনো হাজার হাজার মার্কিন সেনা ওই অঞ্চলে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে, আর হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় দেশে জ্বালানির দাম বাড়ছে। তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাম্প কোনো পরিকল্পনা বা আইনি অনুমোদন ছাড়াই এই যুদ্ধে জড়িয়েছেন, আর আজকের ঘোষণা সেই সত্য বদলায় না।’

এদিকে আমেরিকান সিভিল লিবারটিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ) হোয়াইট হাউসে একটি চিঠি পাঠিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ জানিয়েছে। তাদের মতে, প্রেসিডেন্ট একটি ‘অবৈধ যুদ্ধ’ চালাচ্ছেন। এসিএলইউ আরও বলেছে, ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী এখানে কোনো ‘বিরতি’ বা ‘রিসেট’ করার সুযোগ নেই।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান