News update
  • Dhaka for Stronger UNDP Support on Climate Finance, Smooth LDC Graduation     |     
  • Divergences over climate finance work programme at Bonn Talks     |     
  • Iran Closes Strait of Hormuz Amid US Strikes     |     
  • US Launches New Iran Strikes Amid Stalled Talks     |     
  • Govt set to unveil FY27 budget this afternoon     |     

এমপিওভুক্ত ৬ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য বড় সুখবর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক শিক্ষকতা 2025-09-03, 12:48pm

5465463434-59b9efc350b280e477a25bdeb1ebeffe1756882126.jpg




র জন্য বড় সুখবর

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত ৬ লাখের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারীকে অবসরের ছয় মাসের মধ্যে অবসরকালীন সুবিধা প্রদানের নির্দেশনা দিয়ে রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের ১৩ পৃষ্ঠার এ রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

রিটকারীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত ৬ লাখের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারীকে অবসরের ৬ মাসের মধ্যে অবসরকালীন সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

এ আইনজীবী বলেন, এ রায়ের ফলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর দুর্ভোগ লাঘব হবে।

আইনজীবী ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া বলেন, সারা দেশে এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় ৬ লাখের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী অবসরকালীন সুবিধা পেতে ২০১৯ সালে একটি রিট দায়ের করেন। রিটে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এই শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন থেকে ৬ শতাংশ কেটে নেয়া হতো। সেই কর্তনকৃত টাকাসহ সুবিধা অবসরের পর দেয়া হতো। এই অবস্থায় ২০১৭ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন করে ১০ শতাংশ কেটে নেয়ার সিদ্ধান্তে নেয়। ১০ শতাংশ কেটে নেয়া হলেও ৬ শতাংশের যে সুবিধা দেয়া হতো সেটাই বহাল রাখা হয়। যে কারণে আমার রিটে বলা হয়েছে, যাতে ১০ শতাংশের সুবিধা দেয়া হয়। এরপর এই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। সেই রুলের দীর্ঘ শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে আদালত বলেছেন, ১০ শতাংশ কেটে নেয়া হলেও তাদের যেন বাড়তি সুবিধা দেয়া হয়। একইসঙ্গে অবসরের ছয় মাসের মধ্যে যেন অবসরকালীন সুবিধা প্রদান করা হয়।

শিক্ষক ও কর্মচারীরা ২০১৯ সালের ১৫ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনটি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন।