News update
  • BD Consulate in Toronto tops global ranking for Diplomatic Service     |     
  • Execution of 2 Bangladeshis in KSA “very disappointing”: State Minister Kobir     |     
  • PM Urges Dhaka Officials to Keep City Clean for Children     |     
  • Cultural institutions face leadership vaccum, governance questions     |     
  • Ishraque Hossain Announces Resignation as State Minister     |     

প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান ববি হাজ্জাজের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক শিক্ষকতা 2026-10-19, 6:55pm

bbi_haajjaaj-779351c3380cc475ce9cb48f8f2ff4881792414531.jpg

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্য দেন। ছবি : বাসস



প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নে কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে ‘ফ্রম দ্য ফিল্ড টু রিফর্ম : অ্যাডভান্সিং প্রাইমারি এডুকেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। একটি ক্ষেত্রকে উপেক্ষা করে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনার আলোকে প্রতিটি শিশুর শিক্ষার সুযোগ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উপযোগী দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

মাঠপর্যায়ের তিন হাজারের বেশি অংশীজনের মতামত পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ জানান, ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম চালুর লক্ষ্যে শিখনফলভিত্তিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, খেলনাভিত্তিক শিক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট ও ব্যবহারিক শিখন কার্যক্রমে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এ ছাড়া মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সমন্বিত ‘শিক্ষক নীতিমালা’ প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানান গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

মনিটরিং ব্যবস্থার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, তদারকি আরও কার্যকর করতে ১১ ধাপের বিদ্যালয় পরিদর্শন পদ্ধতি ও ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নদীভাঙনপ্রবণ ও পাহাড়ি অঞ্চলসহ ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় শিশুবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের ওপর জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষকদের মর্যাদা, বেতন-ভাতা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।

শিক্ষাখাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে এবং প্রথম অর্থবছরেই এ খাতে ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী। এতে আরও বক্তব্য দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. মোক্তার আলী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য রেজা কিবরিয়া ও বীথিকা বিনতে হোসাইন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন রিমন ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী।

জাতীয় সংলাপে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।